লন্ডন: “কোয়ি মিল গেয়া” সিনেমাটার কথা মনে আছে? যেখানে রোহিত (হৃতিক রোশন) দেখা পেয়েছিল অন্য গ্রহে বসবাস করা একটি এলিয়েনের। রোহিত ভালোবেসে ওই এলিয়েনের নাম দিয়েছিল “জাদু”। এক কথায় দূর গ্রহে থাকা একটা এলিয়েনের সঙ্গে পৃথিবীতে থাকা একটা ছেলের দৃঢ় বন্ধুত্বকে তুলে ধরা হয়েছিল সিনেমাতে। একজন বিপদে পড়লে অন্যজন নিজের জীবনের কথা না ভেবে সাহায্যের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ত। আবার অন্যদিকে আরেক এলিয়েন ও দেখেছিলাম, যা অনেকটা আমাদের মানুষের মতো। এই এলিয়েনের নাম ছিল “পিকে”। এখানেও দেখানো হয়েছে দূর গ্রহের একটা এলিয়েনের সঙ্গে মানুষের একটা সুন্দর বন্ধুত্ব, যে কারণে “পিকে” একটা সময় মানুষের সঙ্গে থেকে যেতে চেয়েছিল পৃথিবীতে? তবে সত্যি কি এলিয়েন বলে কিছু আছে? আর যদি থাকে তাহলে কি তারা মানুষের এরম ভালো বন্ধু হতে পারে?

সম্প্রতি পলা নামে ৫০ বছর বয়সী এক মহিলা এলিয়েনের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তাকে এলিয়েনরা ৫২ বার অপহরণ করেছে। ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডের পলা আরও বলেন, প্রথম বার ৬ বছর বয়সে তিনি এলিয়েন দ্বারা অপহৃত হন, যেটি ছিল তার প্রথমবারের মতো ইউএফও-তে যাত্রা করা। হাতে একটি আঘাতের ছবি পোস্ট করে তিনি দাবি করেছেন, এই আঘাতগুলি তাঁকে অপহরণ করার প্রমাণ। কঠোর সমালোচনার কারণে এই বিষয় নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন বলেও জানিয়েছেন পলা।

ডেলি মেলকে এই ৫০ বছর বয়সী মহিলা বলেন, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই ঘটনার শিকার হয়ে থাকে। অনেকে তাঁকে মজা করে “লুনি” বলেন, যা তিনি মোটেও পছন্দ করেন না বলেও উল্লেখ করেছেন। এর পাশাপাশি আরও যোগ করে বলেন, যতদিন লোকেরা এই ধরণের ঘটনার মুখোমুখি না হবে, ততদিন তারা তা বিশ্বাস করবেন না।

পলা তার শরীরে আঘাতের ছবি পোস্ট করে জানিয়েছেন, বেশ কয়েকবার তিনি ইউএফও-তে উঠেছেন। পাশাপাশি তিনি দূর থেকে ইউএফও তোলা ছবিও পোস্ট করে বলেন, নিজের জীবনে ঘটে চলা এই সমস্ত ঘটনা অনেক সময় নিজেই বিশ্বাস করতে না পারার কারণে, অন্যরা তা বিশ্বাস না করলেও তিনি অবাক হন না। এছাড়াও ডেলি মেলকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় ১৯৮২ সালে প্রথমবার এলিয়েন দ্বারা অপহরণ হওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.