স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পূর্ব সিদ্ধান্ত মতই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিষ্কারের নির্দেশ বহাল থাকবে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তারা তাদের বহিস্কারের সময়সীমা শেষ হলে কেবলমাত্র পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে প্রবেশ করতে পারবে এবং যাদের পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে না তারা বহিস্কারের সময়সীমা শেষ হলে শর্তসাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠনপাঠনে অংশ নিতে পারবে।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তারা পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারবে এবং যাদের হচ্ছে না তারা নতুন শিক্ষাবর্ষ ( জুলাই, ১৯ ) থেকে শর্তসাপেক্ষে ভাবিক পঠনপাঠনে অংশ নিতে পারবে। শনিবার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাক সার্কাস ক্যাম্পাসে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিল আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন চলাকালীন হঠাৎই ঝামেলা বেঁধে যায় কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাসে কিছু ছাত্রকে একদল ছাত্র মিলে মারধোর করে। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তেমন দৃশ্যই। এর আগেও ওই ছাত্রেরা ক্যাম্পাসে একই ঘটনা ঘটিয়ে ছিল বলে জানা গিয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন কারা চালাবে, সেই নিয়ে ছাত্রদের দু’পক্ষের মধ্যে মারপিট হয়।

ওই ঘটনায় কয়েক জন ছাত্র জখমও হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহম্মদ আলি বলেন, ‘‘কারা গোলমাল পাকিয়েছে, তা ফুটেজ দেখে আমরা জানতে পারি। এর পরে বিশ্ববিদ্যালয় একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পাঁচ জনকে বহিষ্কার ও ন’জনকে দু’বছরের জন্য সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’’ এরপর এ বছরের চলতি মাসের ২ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাসে অনশনে বসে শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্রেরা। এদিন এই কারনেই ছাত্রদের কথা মাথায় রেখে পার্ক সার্কাস ক্যাম্পাসে সাংবাদিক সম্মেলনে অবতীর্ণ হন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ আলি, রেজিস্ত্রার আমজাদ হোসেন প্রমুখ।

এই সাংবাদিক সম্মেলনে জানান হয় –

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিষ্কারের নির্দেশ বহাল থাকবে ২৮ সেপ্তেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত। বহিষ্কৃত শিক্ষারথীদের মধ্যে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তারা তাদের বহিস্কারের সময়সীমা শেষ হলে কেবলমাত্র পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে প্রবেশ করতে পারবে বহিষ্কৃত শিক্ষারথীদের মধ্যে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে না তারা বহিস্কারের সময়সীমা শেষ হলে শর্তসাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠনপাঠনে অংশ নিতে পারবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তারা পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে না তারা নতুন শিক্ষাবর্ষ ( জুলাই, ১৯ ) থেকে শর্তসাপেক্ষে স্বাভাবিক পঠনপাঠনে অংশ নিতে পারবে।

জুলাই ২০১৯ এ নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে তারা কেবলমাত্র শর্তসাপেক্ষে পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে বহিষ্কৃত ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত উভয় শ্রেনীর ছাত্রদেরই কোনও রকম হোস্টেল পরিষেবা দেওয়া হবে না।আগামী দিনেও তারা হস্তেলে প্রবেশ ও অবস্থান করতে পারবে না বহিষ্কৃত ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত উভয় শ্রেনীর ছাত্রদেরই তাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম শেষ করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে। ওই সময় সীমা পেরিয়ে গেলে তাদের আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে গন্য করা হবে না বহিষ্কৃত ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত উভয় শ্রেনীর ছাত্রদেরই তাদের নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম শেষ হবার পর আগামী দিনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনওরকম পাঠ্যক্রমে ভরতি হতে পারবে না বহিষ্কৃত ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত উভয় শ্রেনীর ছাত্রদের ওপর উল্লেখিত নির্দেশ বলবত হবে এই শর্তে, তারা এবং তাদের অভিভাবকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরবরাহ করা নির্দিষ্ট ঘোষণাপত্রে সাক্ষর করবে। যদি কোনও শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক এই ঘোষণা পত্রে সাক্ষর করতে অস্বীকার করে তবে তবে ওই শিক্ষার্থীর ওপর পূর্ববর্তী শাস্তিই বহাল থাকবে