মুম্বই- কাপুর পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার সকালেই সকলকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন ঋষি কাপুর। তাঁর ব্যক্তিত্বই এমন ছিল যে পরিবারকে সব সময়ে মাতিয়ে রাখত। আর তাই শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার। ঋষির চলে যাওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী নীতু কাপুর। পরিবারের শোকস্তব্ধ ছবি প্রকাশ্যে এসেছে।

এই কঠিন মুহূর্তে সর্বক্ষণ কাপুর পরিবারের পাশে ছিলেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। রণবীরের সঙ্গে সম্পর্কে আসার পরে কাপুর পরিবারের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে পড়েছেন আলিয়া। আর তাই এই পরিস্থিতিতেও তাঁদের পাশেই ছিলেন তিনি। ঋষি কাপুরের চলে যাওয়ায় কান্না থামছিল না তাঁরও। কারণ বিগত দুবছর ধরে তাঁকেও নিজের বাবার মতোই দেখতেন আলিয়া। এমনই লিখেছেন নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে।

ইনস্টাগ্রামে আলিয়া ঋষি কাপুর, নীতু ও রণবীরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেই ছবির ক্যাপশনেই একটি আবেগঘন লেখা পোস্ট করেছেন তিনি। আলিয়া লিখছেন, এই সুন্দর মানুষটাকে নিয়ে কী বলব…যিনি আমার জীবনে অনেক ভালো কিছু ও ভালোবাসা এনেছিলেন। আজ সবাই এই কিংবদন্তী অভিনেতা ঋষি কাপুরকে নিয়ে কথা বলছেন। আমি যদিও ওঁকে ছোট থেকেই জানি।

কিন্তু গত দুবছর ধরে ওঁকে আমি চিনেছি একজন বন্ধু হিসেবে, একজন চাইনিজ ফুড লাভার, এক চলচ্চিত্র প্রেমী, এক যোদ্ধা, এক নেতা, এক দারুণ গল্প বলিয়ে এবং একজন বাবা হিসেবে। আলিয়া আরও লিখছেন, গত ২ বছরে আমি ওঁর থেকে যা ভালোবাসা পেয়েছি তা আমি সারা জীবন মনে রাখব। আমি এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমায় ওঁকে চেনার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

আজ আমরা সবাই বলতে পারি তিনি একটা পরিবারের মতো, কারণ তিনি এমনটাই আমাদের মনে করিয়ে এসেছেন। লাভ ইউ ঋষি আঙ্কল। তোমায় মনে পড়বে সবসময়। আলিয়া ঋষি কাপুরের আরও বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন। ২০১৮ সালে ক্যানসারের চিকিৎসায় বেশ কিছুদিন ধরে আমেরিকাতে ছিলেন তিনি ৷ গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ফেরেন ৷

দিন কয়েক আগে দিল্লিতে দূষণের জন্য ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায়, মুম্বইয়ের এই হাসপাতালে এনেই ভর্তি করা হয়েছিল ঋষি কাপুরকে ৷ সেসময় দিল্লিতে শ্যুটিং করছিলেন ঋষি। তারপরে গতকাল তাঁকে ফের হাসপাতালে ভরতি করা হয় অসুস্থতার কারনে। ছিলেন স্ত্রী নিতু কাপুর ও ছেলে রনবীর কাপুর। কিন্তু যে এই পরিনতি হবে অনেকেই ভাবতে পারেন নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.