কায়রো: রিয়াদ মাহরেজ বনাম সাদিও মানে। শুক্রবার কায়রো আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আফ্রিকান নেশনস কাপ ফাইনালের মুখ হিসেবে ছিলেন দু’দেশের এই দুই মহাতারকা। কিন্তু হাইভোল্টেজ ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়ে গেল ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই।

৭৯ সেকেন্ডে স্ট্রাইকার বাগদাদ বৌনেদার নেওয়া শট সেনেগালের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে প্রতিহত হয়ে ঢুকে যায় গোলে। ওই একমাত্র গোলেই সেনেগালকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য আফ্রিকান নেশনস কাপ ঘরে তুলল রিয়াদ মাহরেজের আলজিরিয়া। ১৯৯০ পর অর্থাৎ ৩৯ বছর বাদে দ্বিতীয়বার আফ্রিকা সেরা হল তারা।

আরও পড়ুন: টেবল টেনিসে ভারতের জোড়া সাফল্য

দ্বিতীয় মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের বাকি সময়টা আধিপত্য নিয়ে ফুটবল খেললেও কাঙ্খিত গোল তুলে নিতে পারেনি সাদিও মানের সেনেগাল। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে হ্যান্ডবলের কারণে সেনেগাল পেনাল্টি পেলেও ভিএআরের সাহায্য নিয়ে রেফারি সেই পেনাল্টি বাতিল করলে হৃদয় ভাঙে সেনেগালের। ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমবারের জন্য খেতাবও কার্যত হাতছাড়া হয়ে যায় সেনেগালের। উলটোদিকে সারা ম্যাচে গোল লক্ষ্য করে নেওয়া একমাত্র শট গোলে পরিণত করে খেতাব ঘরে তুলে নেয় আলজিরিয়া।

আরও পড়ুন: ক্রিকেট ছেড়ে কোথায় যাব, প্রশ্ন জিম্বাবোয়ের তারকা অল-রাউন্ডারের

এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই ম্যাচের ললাট লিখে দেন আলজিরিয়া স্ট্রাইকার বাগদাদ বৌনেদা। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল ধরে সেনেগালের ডিফেন্ডার স্যাদিও সেনকে আউটসাইড ডজে পরাস্ত করে বক্সের সামান্য বাইরে থেকে গোলমুখী শট নেন তিনি। বৌনেদার জোরালো শট সেন আটকানোর চেষ্টা করলে তাঁর পায়ে লেগে বল পেল্লাই হয়ে বল খুঁজে নেয় গোলের ঠিকানা। সেনেগাল দুর্গের শেষ প্রহরী খানিকটা আগুয়ান থাকায় দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তাঁর আর কোনও কাজ ছিল না।

টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলারের শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছেন আলজিরিয়া মিডফিল্ডার ইসমাইল বেনাসের। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ২২ বছরের এম্পোলি মিডফিল্ডারের দুরন্ত ফুটবল আলজিরিয়ার শিরোপা দখলের অন্যতম কারণ। পাশাপাশি পাঁচ গোল করে রিয়াদ মাহরেজ, স্যাদিও মানেদের পিছনে ফেলে গোল্ডেন বুট জিতে নিলেন নাইজিরিয়া স্ট্রাইকার ওদিয়ন ইঘালো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.