বার্লিন ও মস্কো: কোমা থেকে ফিরেছেন। এ যাত্রায় বেঁচেই গেলেন নাভালনি। খানিকটা সুস্থ হয়েই ফের রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে সরব হলেন। রুশ বিরোধী নেতা জার্মানি থেকে জানিয়েছেন, তাঁকে বিষ খাইয়ে খুনের ছক করেছিলেন পুতিন।

বৃহস্পতিবার জার্মান ম্যাগাজিন ডের স্পিগেলে আলেক্সি নাভালনির সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এই ঘটনায় পুতিনের হাত রয়েছে। আমি অন্য কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাইনি।’
বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে টানা ৩২ দিন চিকিৎসার পর সম্প্রতি জার্মানির বার্লিনের চ্যারিটি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন রুশ নেতা নাভালনি।

গত ২০ অগস্ট সাইবেরিয়া থেকে মস্কো যাওয়ার বিমানে নাভালনি গুরুতর অসুস্থ হয়েছিলেন। তড়িঘড়ি বিমান অবতরণ করিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয়। নাভালনির দল ও সমর্থকরা তারপরেই অভিযোগ কপেন, চায়ের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খুন করার চেষ্টা হয়েছে।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাস সরকারি বক্তব্য তুলে ধরে। রাশিয়া সরকার জানায় নাভালনিকে বিষ প্রয়োগের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো। কিন্তু চিকিৎসারত নাভালনির দেহে বিষক্রিয়ার চিহ্ন দেখা যাচ্ছে এমন দাবি জোরালো হতে থাকে। শুরু হয় আন্তর্জাতিক চাপ। আর চাপের মুখে নাভালনিকে চিকিৎসার জন্য রাশিয়া সরকার পাঠায় জার্মানিতে। বার্লিনে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়।

জার্মান সরকার পরে জানায়, রাশিয়ার পুতিন বিরোধী নেতার দেহে নোভিচক নার্ভ এজেন্ট বিষক্রিয়ার অস্তিত্ব মিলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন নাভালনি।

টানা কোমাচ্ছন্ন নাভালনিকে ঘিরে জার্মানি, ইংল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিলিত আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করে। অন্যদিকে রাশিয়া সরকার পাল্টা অভিযোগ করে জানায়, সবই প্রেসিডেন্ট পুতিন বিরোধী ষড়যন্ত্র।

এদিকে সুস্থ হয়ে নাভালনি দাবি করেছেন, এই ধরনের বিষ প্রয়োগের চিন্তা যে সব গোয়েন্দা সংস্থার কাণ্ড তারা প্রত্যেকেই পুতিনের অধীনস্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।