ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আমফানের জেরে রাজ্যের ষোলটি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৬ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য দিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে ৯০ শতাংশের বেশি জায়গায় বিদ্যুৎ ফিরেছে।

এদিন স্বরাষ্ট্রসচিব বলেন, আমফান আসার আগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ৮ লক্ষ ১৩ হাজার মানুষকে সরানো হয়েছে নিরাপদে। তারপরও ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যে মোট ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে এখনও তিন লক্ষ মানুষ রয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গ্রামাঞ্চলে ৯০ শতাংশের বেশি জায়গায় বিদ্যুৎ ফিরেছে। ১০৩টি পুর শহরের মধ্যে ৯৪টিতে বিদ্যুৎ ফিরেছে। হাসপাতাল সহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিদ্যুৎ চলে এসেছে। তিনি বলেন, ৯টি পুরসভায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা। সিইএসসি জানিয়েছে, তৎপরতার সঙ্গে কাজ চলছে। রাজস্থান থেকে কর্মী এনে কাজ করানো হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রসচিব আরও জানান, পানীয় জল পরিষেবাও স্বাভাবিক হয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতা সঙ্গে কাজ চলছে। কিন্তু এখনও কিছুটা সময় লাগবে। টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা ৮৫ শতাংশ স্বাভাবিক হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী ও খাদ্য বন্টন ও বিভিন্ন জায়গায় চলছে।

এদিকে, আমফানের তান্ডবের ছ’দিন পার হয়ে গেলেও প্রান্তিক এলাকাগুলো তো দূরের কথা খাস কলকাতার ছবিটাই এখনও বদলায়নি। এখনও আগের অবস্থায় ফেরেনি দক্ষিণ কলকাতার বহু এলাকা। জল-বিদ্যুতের দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-অবরোধ।

রাস্তা থেকে গাছ সরানো হয়েছে অনেক জায়গায়, তবে বহু এলাকা আগের মতোই বিদ্যুৎহীন। চরম নাকাল হচ্ছেন পুর বাসিন্দারা। এ দিনও বেহালা, বাঘাযতীন, গড়িয়া, নেতাজিনগর, টালিগঞ্জের একাংশে বিদ্যুৎ না আসায় চলছে বিক্ষোভ। বহু জায়গায় চড়া দামে জল কিনছেন আবাসিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।