নাইরোবি: কেনিয়ায় হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা৷ পূর্বেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল অস্ট্রেলিয় সরকার৷ কোনও জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম না নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে যেকোনও রকমের বিস্ফোরন ঘটাতে বদ্ধপরিকর জঙ্গিরা৷ না কোনও বিস্ফোরণ নয়৷ একেবারে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশ করে ছাত্র-ছাত্রীদের আটক করে খুন করল জঙ্গিরা৷

কেনিয়ার গরিসা ইউনিভার্সিটি কলেজে সোমালি ইসলামিস্টসদের হামলায় অন্তত ১৪৭ জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। মারা গিয়েছে হামলাকারী ৪ জঙ্গিই। কেনিয়ার জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র টুইটারে জানিয়েছে, ৪ জঙ্গিরই মৃত্যু হওয়ায় বন্ধ হয়েছে গুলির লড়াই। গুরুতর আহত অবস্থায় ৭৯ জন পড়ুয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৫৮৭ জন পড়ুয়াকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ গরিসা ইউনিভার্সিটি কলেজে হামলা চালায় ইসলামিক জঙ্গিরা। হামলার দায় স্বীকার করেছে আল কায়েদা জঙ্গি নেটওয়ার্কের আল শাবাব জঙ্গি গোষ্ঠী। কলেজ ক্যাম্পাসের মসজিদে ক্রিশ্চান পড়ুয়ারাই তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল বলে জানিয়েছে আল শাবাব। নিজেদের রেডিও স্টেশনে আল শাবাব জানায়, আমরা বহু মানুষকে হত্যা করেছি। ভিতরে ঢুকলে অবাক হয়ে যাবে কেনিয়ার মানুষ। Student-of-kenya-university

কিছুদিন আগেও আল কায়েদা ঘনিষ্ঠ সোমালিয়ার ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠী আল শাবাব, গারিসা সহ কেনিয়ার একাধিক স্থানে এই ধরণের লাগাতার হামলা চালিয়েছে। গারিসা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের এক পড়ুয়া জানিয়েছেন এই ধরণের হামলা হতেই পারে সে বিষয়ে আগে থেকেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন ” কদিন ধরেই সন্দেহভাজন ক’জন শহরে ঘোরাফেরা করছিল। অনেকেই বুঝতে পারছিলেন এরা আসলে জঙ্গি। সোমবার আমাদের প্রিন্সিপাল হঠাৎ এসে জানান এই সন্দেহভাজনদের কলেজ চত্বরে দেখা গিয়েছে। মঙ্গলবার ছুটির পর আমরা বাড়ি ফিরে যাই। কলেজ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু কলেজ ক্যাম্পাস খোলাই ছিল। আশঙ্কা প্রমাণ করে সেই ক্যাম্পাসেই এবার হামলা হল।”

নাইরোবিতে ২০১৩ সালে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পিছনে আল শাবাবের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। শপিং মলে হামলা চালিয়ে চার দিন ধরে আটক করে রেখেছিল বহু সাধারন নাগরিককে৷ সেই হামলায় প্রাম হারিয়েছিলেন ৬৭ জন৷ সেই সময়ে জঙ্গি দমনে কেনিয়া সোমালিয়াতে সেনা পাঠিয়েছিল। আল শাবাবের দাবি ছিল এই হামলা সেই ঘটনার প্রতিশোধের একটা নমুনা ছিল মাত্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।