নয়াদিল্লি: ভারতীয় সেনাবাহিনী ও ভারত সরকারকে টার্গেট করে এবার বার্তা দিল আল-কায়েদা। ভারতের বড়সড় ক্ষতি করতে এই বার্তা দিয়েছে জঙ্গি নেতা।

‘মুজাহিদ্দিন ইন কাশ্মীর’ শিরোনামে ওই ভিডিও মেসেজ প্রকাশ করা হয়েছে। বার্তা দিয়েছেন আল কায়েদা প্রধান আমান আল-জাওয়াহিরি। মূলত কাশ্মীর দখলের ডাক দিয়েছে ওই জঙ্গি নেতা। তার বার্তার মূল বিষয় ‘ডোন্ট ফরগেট কাশ্মীর’ বা “কাশ্মীরকে ভুলো না।”

ওই ভিডিও বার্তায় জাওয়াহিরি বলছে, যে মুজাহিদিনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে যাতে ভারতীয় সেনা ও জম্মু ও কাশ্মীর সরকারকে যাতে আঘাত করা হয়। ভারতীয় অর্থনীতি যাতে চুরমার হয়ে যায় সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রাণহানি ও বিভিন্ন সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতিও চেয়েছে ওই জঙ্গি নেতা।

জাওয়াহিরি বলছে যে কাশ্মীরের জন্য লড়াই কোনও বিচ্ছিন্ন লড়াই নয়। সারা বিশ্ব জুড়ে মুসলিমদের যে জিহাদ চলছে, তারই অঙ্গ।

শিক্ষিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে তাকে বলতে শোনা গিয়েছে, মুসলিমদের জায়গায় দখলদারি যতদিন না কমানো সম্ভব হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত জিহাদ চলবে কাশ্মীরে, ফিলিপিন্সে, সেন্ট্রাল এশিয়ায়, ইরাকে, সিরিয়ায়, সোমালিয়ায়। তবে মসজিদগুলো যাতে টার্গেট না করা হয় সে ব্যাপারে সতর্ক করেছে জাওয়াহিরি। মুসলিমদের জমায়েতেও আক্রমণ করতে বারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্ট দিয়েছে যে, সীমান্তে অনুপ্রবেশ কমেছে অনেকটাই। এদিনের এই ভিডিও দেখে কেন্দ্রের দাবি, সেই রিপোর্টেই নড়েচড়ে বসেছে জঙ্গি সংগঠনগুলি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ‘সীমান্তে অনুপ্রবেশের ক্ষেতরে জিরো টলারেন্স পলিসি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবছরের প্রথমার্ধে তার ফল পাওয়া গিয়েছে। একধাক্কায় ৪৩ শতাংশ অনুপ্রবেশ কমেছে।’

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে সীমান্তে পেরিয়ে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ভারত। জয়েশ-ই-মহম্মদের টেরর ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়ে আসা হয়েছিল। আর সেই হামলার পর থেকেই ভারত নিয়ে স্ট্র্যাটেজি বদলেছে ইসলামাবাদ।