মুম্বই:  সিনেমায় অক্ষয়কুমার তো বিমানের উপর থেকে দিব্যি ঝাঁপ দিতে দেখা যায়৷ তাহলে আর একজনই বা পারবে না কেন? যেমন ভাবা তেমন কাজ৷ বিমানের উপর থেকে সোজা ঝাঁপ দিলেন নীচে৷ এই কাজ যে করল সে কোনও বাচ্চা ছেলে নয়, তিনি বছর তিরিশের যুবক৷ আকাশ জৈন নামে ওই যুবকের প্রায় ১৫ ফুট উপর থেকে এই ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত বিমানকর্মীরা৷

জলন্ধরের বাসিন্দা আকাশ অক্ষয়কুমারের ডাই হার্ড ফ্যান৷ সিনেমাতে দেখেছেন পছন্দের নায়ককে নানারকম স্টান্ট৷ শুনেছেন, সে সব স্টান্ট নাকি তিনি নিজেই করেন৷ তাই সেরকমই একটা স্টান্ট তাঁর নিজেরও করার ইচ্ছে ছিল৷ পেশায় মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ আকাশের হিরো হওয়ার বাসনা পূরণ না হলেও স্টান্ট পারফর্ম করার বাসনা পূরণ করে নিলেন তিনি নিজেই৷ বিমানের এর্মাজেন্সি গেট থেকে ঝাঁপ দিলেন নীচে৷ চন্ডীগড় থেকে মুম্বই এসে দাঁড়িয়েছিল বিমানটি৷ নামার কাজকর্ম শুরু হওয়ার আগেই অধৈর্য হয়ে আকাশ Akki-plane1এমার্জেন্সি গেট খুলে ঝাঁপ দেন৷ তাতে অবশ্য আহত হননি তিনি৷ দিব্যি বিমানবন্দরের বাইরে গিয়ে বাড়ি ফেরার বাস ধরেন৷  পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে রবিবার এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে৷ আপাতত জেল হেফাজতেই আছেন আকাশ৷ আর সেখানেই তাঁর ঝাঁপ দেওয়ার কারণ হিসেবে এই ফিল্মি বাসনার কথা জানিয়েছেন তিনি৷যদিও জানা যাচ্ছে, বাবার অসুস্থতার খবর পেয়েই চন্ডীগড় ফিরছিলেন আকাশ৷ সেই মানসিক উদ্বেগেই এরকম কাজ করলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

প্রায় এরকমই একটি স্টান্ট করেছিলেন অক্ষয়কুমার৷ ‘খিলাড়ি ৪২০’ ছবিতে নায়িকা মহিমা চৌধুরীকে বাঁচাতে প্লেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন৷ যদিও অক্ষয় পড়েছিলেন এয়ারবেলুনের উপরে৷ সেই দৃশ্যেরই পুনরাবৃত্তি করতে চেয়েছিলেন আকাশ৷

৪ এপ্রিল জেলা হেফাজত শেষ হলে তাঁকে আদালতে তোলা হবে৷ বিচারকই ঠিক করবেন এহেন ফিল্মি আকাশকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।