মুম্বই: প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ২৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিলেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। এবার তিনি বৃহনমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে (বিএমসি) ৩ কোটি টাকা দিয়ে সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন।

কোভিড ১৯ এর সঙ্গে মোকাবিলা করতে মাস্ক ও টেস্ট কিট ও অন্যান্য সামগ্রীর জন্য এই টাকা দিয়ে সাহায্য করছেন বলে জানিয়েছএন অক্ষয়। চিত্র সমালোচক তরন আদর্শ একটি টুইট করে জানিয়েছেন, পিএমকেয়ারস-এ ২৫ কোটি টাকা দেওয়ার পরে এবার অক্ষয় কুমার বিএমসি-তে ৩ কোটি টাকা দিচ্ছেন যাতে পিপিই, টেস্ট কিট ইত্যাদি সামগ্রী পেতে সুবিধা হয়।

অক্ষয় বহুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁর ভক্তদরে সচেতন করে চলেছেন। করোনা মোকাবিলার জন্য যথাযত সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে। এই সময়ে যাঁরা করোনার বিরুদ্ধে দিন রাত লড়ে যাচ্ছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে একটি হ্যাশট্যাগ শুরু করেছেন অক্ষয়। মানুষকে #DilSeThankYou এইহ্যাশট্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

অভিনেতা তপসি পান্নু, কিয়ারা আডবানী, কার্তিক আরিয়ান, টাইগার শ্রফের সঙ্গে জোট বেঁধে মুসকুরায়েগা ইন্ডিয়া নামে একটি গান গেয়েছেন অক্ষয় কুমার। প্রসঙ্গত, জানা যাচ্ছে শুক্রবার সকালের হিসেব অনুযায়ী, কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন ভারতের ৬৪১২ জন। শেষ ১২ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৯৯ জনের।

তবে দেশে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়নি বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন। ‘হু’ এর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রধান আধিকারিক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং জানিয়েছেন, যখন সংক্রমণের উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন সেই দেশে সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলা যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I