নয়াদিল্লি: রাজনৈতিক সম্পর্ক অহি নকুলে৷ কিন্তু ব্যক্তিগত স্তরে তেমনটা নয়৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে নরম সুরই শোনা গেল নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত আলাপ চারিতায়৷ উঠে এল তাঁর শৈশব থেকে জীবনের নানান পর্যায়ের অভিজ্ঞতার বর্ণনা৷

কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হবে না৷ এটাই সাক্ষাতকারের ‘শর্ত৷’ সেই মতো শুরু হল সাক্ষাতকার৷ প্রশ্নকর্তা একটু নার্ভাস৷ কেননা সামনে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ আলাপচারিতা শুরু হতেই নার্ভাসনেস হাওয়া৷ সাবলীল ভাবেই একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে শুরু করেন অক্ষয় কুমার৷ প্রতিটি প্রশ্নের সঙ্গে নিজের জীবনের নানা দিক খুলতে শুরু করলেন মোদীও৷

‘‘আম খেতে ভালোবাসেন’’? প্রশ্নকর্তার প্রথম প্রশ্ন ‘চায়ওয়ালা’ মোদীকে৷ উত্তর এল, ‘‘হ্যাঁ৷ ভালোবাসি৷ আগে আমরা মাঠে গিয়ে আম খেতাম৷ এখন অবশ্য আগের মতো অত আম খাই না৷’’

‘‘জীবনে কি কখনোও ভেবেছিলেন প্রধানমন্ত্রী হবেন? আপনি তো সন্ন্যাসী হতে চেয়েছিলেন৷’’ প্রশ্ন শুনে মোদীর জবাব, ‘‘ছোটবেলায় জওয়ানদের দেখে উদ্বুদ্ধ হতাম৷ যখন ফৌজিরা আসত তখন তাদের চা দিতে যেতাম৷ বিভিন্ন সময় মণীষিদের বই পড়তে ভালো লাগত৷ ১৮-২২ বছরের মধ্যে অনেক জায়গায় ঘুরেছি৷ অনেক কিছু শিখেছি৷ কিন্তু মনে কোথাও একটা দ্বিধা ছিল৷ প্রধানমন্ত্রী হব এটা স্বপ্নেও ভাবিনি৷ কিন্তু জীবন তার গতিপথ বদলায়৷’’

মোদীর জীবনের নানা পযার্য় নিয়ে আলোচনা চলছে৷ কথার ফাঁকে মোদী জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বছরে তাঁকে এক-দুটি কুর্তা পাঠান৷ বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনা মিষ্টি পাঠান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।