মুম্বই : তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। তিনি ভোট দিয়েছেন না দেননি সেই প্রশ্নের কেন এর উত্তর দেননি তা নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। এসবের মাঝেই সব বিতর্ককে উড়িয়ে দিয়ে তিনি যা করলেন তা সত্যিই কুর্নিশযোগ্য। সমস্ত প্রশ্নকে যা ঠেলে সরাতে পারে। ফণী ঝড়ে আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়ে ১ কোটি টাকা দান করলেন অক্ষয়।

বলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেতা ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে ফণী দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এক কোটি টাকা দান করেন। অক্ষয় কুমার এমন কাজ আগেও করেছেন। চেন্নাইতে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সাহায্য করেছিলেন অক্ষয়। ২০১৫ সালের চেন্নাইয়ের সেই ভয়ংকর বন্যাতে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে ১ কোটি টাকা দান করেছিলেন। এবারেও তার অন্যথা হল না। চলতি বছরে ১৪ ফেব্রুয়ারি হওয়া জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার পর, শহীদ সিআরপিএফ জওয়ানদের পরিবারে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের সাহায্য করেছিলেন।

পুলওয়ামা হামলায় শহীদ জওয়ান জিত রাম গুর্জর এর স্ত্রী সুন্দরী দেবীকে অক্ষয় কুমার ১৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। জিত রাম এর ছোট ভাই বিক্রম সিং অক্ষয় কুমারের এই সাহায্যের জন্য ওনাকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। অক্ষয় কুমার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাথে ‘ভারত কে বীর” নামে একটি ওয়েব সাইট চালু করেছিলেন, যেখানে শহীদ জওয়ানদের আর্থিক সাহায্যের জন্য সবার কাছে আবেদন করা হয়েছিল এবং ওই ওয়েব সাইট শুরু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে দেশের শহীদ জওয়ানদের পরিবারের সাহায্যের জন্য কয়েক কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য জোগাড় হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।