মুম্বই : সাজিদ খান পরিচালনায় তৈরি হচ্ছিল ‘হাউজফুল ৪’৷ ছবির গোটা টিমকে নিয়ে সাজিদ শ্যুটিংয়ের আস্তানা গেড়েছিলেন ইতালিতে৷ অক্ষয় সহ সেইখানে ছিলেন অক্ষয় কুমার, কৃতী স্যানন, কৃতী খারবান্দা, নানা পাটেকার, ববি দেওল সহ অন্যান্য অভিনেতা, অভিনেত্রীরা৷ ইতালির শ্যুটিং স্কেডিউল শেষ করেই ফিরতেই অক্ষয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়েছেন যে তিনি ‘হাউজফুল ৪’এর শ্যুট বন্ধ করে দিয়েছেন৷ ২৮ বছরের কেরিয়ারে এই প্রথম শ্যুট ক্যানসেল করলেন খিলাড়ি কুমার৷ তাঁর কথায়, তিনি এমন কোনও মানুষের সঙ্গে কাজ করত উৎসাহি নন যারা মহিলাদের হেনস্থা করেছেন৷

ট্যুইটারে একটি পোস্টে অক্ষয় লিখেছেন, “গতকাল রাতে আমি দেশে ফিরেছি৷ প্রত্যেকটা খবরই আমার চোখে পড়েছে৷ সবকটাই একই রকমভাবে ভীষণই বিরক্তিকর৷ আমি ‘হাউজফুল ৪’র প্রযোজকদের অনুরোধ করে শ্যুটিং বন্ধ করে দিয়েছি৷ যতক্ষণ না তদন্ত হচ্ছে আমি শ্যুটিং করব না৷ আমি কোনও মানুষের সঙ্গে কাজ করতে চাই না যাদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এসেছে, এবং যারা সত্যিই এই ঘটনায় দোষী৷” অক্ষয়ের এই পোস্টের পর তাঁর প্রশংসায় ভরছে ট্যুইটার ফিড৷

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

আরও পড়ুন: যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ নিল প্রযোজকদের গিল্ড

পাশাপাশি উঠছে অভিযোগও৷ একাংশের মতে, “#MeToo মুভমেন্টে এক মাস হল বলিউডে শুরু হয়েছে৷ সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্টের জেরে প্রত্যেকে নানা পাটেকার থেকে আলোকনাথের বিষয়ে জানতে পারছে৷ কিন্তু অক্ষয় কুমার সহ অন্যান্য অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজক তো বলিউডের ভেতরের মহলের লোক৷ তাঁদের তো সবই জানার কথা, তাহলে প্রত্যেক মেয়েরা প্রতিবাদ জানাবার পরই কেন অক্ষয় কুমার, আমির খান এরকম পদক্ষেপ নিচ্ছেন৷ প্রতিবাদ যদি করারই হত তাহলে তাঁরা তো প্রথম থেকেই সব জানত, প্রথম থেকেই করতে পারত৷ এত দেরি কেন করলেন তাঁরা?”

আরও পড়ুন:  যৌন হেনস্তায় প্রতিবাদ, ফিল্ম থেকে ব্যাক আউট করলেন আমির

অন্যদিকে অক্ষয়ের পোস্টের পর পরই খবর পাওয়া গেল, ‘হাউজফুল ৪’এর ডিরেকশন থেকে পিছিয়ে এসেছেন সাজিদ খান৷ সাজিদ ট্যুইটারে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, “আমার বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ এসেছে তা আমার এবং আমার পরিবারের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে৷ এমনকি আমার আগামী ছবি ‘হাউজফুল ৪’র প্রযোজক এবং স্টারকাস্টও বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তিত৷ যতদিন না আমি এই অভিযোগ গুলোকে ভুল প্রমাণ করতে পারছি ততদিন আমার মনে হয় এই ছবির ডিরেক্টোরিয়াল পোস্ট থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত৷ সেটাই করলাম আমি৷ আর আপনাদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে পুরো ঘটনা না জেনে কোনও মন্তব্য করবেন না৷”

 https://twitter.com/akshaykumar/status/1050638043432988672/photo/1?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1050638043432988672&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.hindustantimes.com%2Fbollywood%2Fakshay-kumar-cancels-shoot-of-housefull-4-after-metoo-allegations-against-sajid-khan-nana-patekar%2Fstory-qRJknLjJgyTdTlp4kpuJyL.html

https://twitter.com/SimplySajidK/status/1050643527661584384/photo/1?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1050643527661584384&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Fentertainment%2Fakshay-kumar-cancels-housefull-4-shoot-in-the-wake-of-metoo-movement-sajid-khan-steps-down-as-films-1930966

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।