করাচি: ইংল্যান্ডের মাটিতে আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলে জায়গা হয়নি৷ অথচ এই ইংল্যান্ডেই দুই বছর আগে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন৷

শেষবার ইংল্যান্ডের মাটিতে আইসিসি’র টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে গতি-সুইংয়ে ভারতকে কুপোকাত করে পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন মহম্মদ আমের৷ ভারতের বিরুদ্ধে ফাইনালে কোহলি-রোহিত-ধাওয়ান বধের সেদিনের নায়ক এখন জাতীয় দলে ব্রাত্য৷ ৫ মে থেকে ইংল্যান্ডের মাটিতে মর্গ্যানদের বিরুদ্ধে দ্বিপাক্ষিক ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে আমের দলে থাকলেও তাঁর হারিয়ে যাওয়া ফর্মকে মাথায় রেখে আমেরকে বিশ্বকাপের দলে রাখেনি পাক নির্বাচকরা৷

আরও পড়ুন- চারমিনারের শহরে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং কিংস ইলেভেনের

ইনজামাম উল হক অ্যান্ড কোম্পানির নির্বাচক প্যানেলের এই সিদ্ধান্তকেই নির্বুদ্ধিতা বলছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি প্রাক্তন পেসার ওয়াসিম আক্রম৷

সুইংয়ের স্বর্গরাজ্য ইংল্যান্ডে পাক পেসার আমেরকে গেমচেঞ্জার মনে করেছেন আক্রম৷ ২৭ বছরেরে পেসার ইংল্যান্ডের আবহাওয়ায় ব্যাটসম্যানদের বেকায়দায় ফেলতে পারেন বলেই মনে করছেন কিংবদন্তি আক্রম৷ এক ধাপ এগিয়ে বিশ্বকাপের পছন্দের পাক দলে আমিরকে বোলারদের মধ্যে প্রথমে রাখতেন বলে উল্লেখ করেছেন আক্রম৷

আরও পড়ুন- ছবিতে দেখুন রাসেলের বার্থ ডে সেলিব্রেশন

নিজের ব্যাখায় ওয়াসিম বলেন, ‘ইংল্যান্ডের আবহাওয়া সুইং সহায়ক৷ অতীতে এই ইংল্যান্ডেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভয়ংকর হয়ে উঠেছিল৷ ছন্দ ফিরে পেলে এবারও আমের ইংল্যান্ডে পাক দলের গেম চেঞ্জার হতে পারত বলে আত্মবিশ্বাসী৷’

শেষ দু’বছরে দেশের জার্সিতে ১৪ টি ওয়ান ডে ম্যাচের মধ্যে ৯টিতে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন আমের৷ ১৪ ম্যাচে পেয়েছে মাত্র ৫ উইকেট৷ হতশ্রী ফর্মের কারণেই তাঁর পরিবর্তে দলে তরুণ পেসার নিয়েছে পাকিস্তান৷ আক্রম অবশ্য বলছেন ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপ, আর বিশ্বকাপে তারুণ্যের সঙ্গে অভিজ্ঞতারও প্রয়োজন৷ সেকারণেই আমেরই পাক পেসার বিভাগে প্রথম পছন্দ ওয়াসিম আক্রমের৷

আরও পড়ুন- জন্মদিনে বেটার হাফকে ইমপ্রেস করার রহস্য ফাঁস করলেন রাসেল

৩১ মে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে এবার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চলেছে পাকিস্তান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।