ছবি-মিতুল দাস৷

কলকাতা: চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা জিওনি’র সঙ্গে তিন বছরের গাঁটছড়া বেঁধেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স৷মঙ্গলবার সেই উপলক্ষ্যেই কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে হাজির ছিল টিম কেকেআর৷নাইটদের মধ্যে এদিন ছিলেন নাইটদের অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর, রবিন উথাপ্পা, মণীশ পাণ্ডে, ইউসুফ পাঠান,সাকিব আল হাসান, মর্নি মর্কেল, উমেশ যাদব, সুনীল নারিন৷এছাড়াও ছিলেন কেকেআর-এর হেড কোচ ট্রেভর বেলিস, ব্যাটিং কোচ জ্যাক কালিস ও বোলিং কোচ ওয়াসিম আক্রম৷ এদিন আক্রমের থেকে জানতে চাওয়া হয় ফের কলকাতায় এসে তাঁর কেমন লাগছে ? কিংবদন্তি পাক বোলার জানান,‘ আমি ১৯৮৭-তে প্রথম কলকাতায় খেলতে আসি৷জনসমর্থন দেখে অভিভূত হয়ে গিয়েছিলাম৷ফলে কলকাতার উপর ভালোবাসা জন্মে যায়৷আর এখন তো এই শহরটা আমার সেকেন্ড হোম৷’ গতবারের চ্যাম্পিয়নদের এবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ফর্মুলা কী? এই প্রশ্নের উত্তরে সুলতান অফ সুইং বললেন,‘ সত্যি কথা বলতে বেলিস-কালিসের মতো দু’জন কিংবদন্তি রয়েছে দলের সঙ্গে৷টিমের সবাই নিজেদের কাজ সম্বন্ধে ওয়াকিবহল৷প্রত্যেকেই নতুন সিজনের জন্য চাঙ্গা হয়ে রয়েছে৷ ধারাবাহিক  ভাবে ভালো খেলে এবারও জিততে চাই৷ কিপ ইট সিম্পল পন্থাই অবলম্বন করব আমরা’৷

টিম কেকেআর৷ছবি-মিতুল দাস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।