কলকাতা: একটা মাত্র ভাইরাস গোটা বিশ্বকে এক মুহূর্তে বদলে দিয়েছে। স্বাভাবিক জীবনযাপন বলতে মানুষ

যা বুঝতো তার থেকে কয়েক মাইল দূরে আজ তারা দাঁড়িয়ে রয়েছে। যাকে প্রতিনিয়ত নিউ নর্মাল হিসেবে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে মানবজাতি। সামাজিক দূরত্ব, কোয়ারেন্টাইন, স্যানিটাইজার এই সমস্ত শব্দগুলি যেন মানুষের বেঁচে থাকার প্রত্যেক মুহূর্তের সঙ্গী হয়ে উঠেছে।

প্রত্যেক মুহূর্তে যেন হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে মৃত্যুর আতঙ্ক। আবার কখনো সেই পুরনো জীবন-যাপনে ফিরে যাওয়া যাবে কিনা, আবার এক জায়গায় জড়ো হয়ে কোনও উৎসব পালন করা যাবে কিনা, আবার কখনো রাস্তায় প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা হলে আলিঙ্গন করা যাবে কিনা এসবই এখন প্রশ্নের মুখে। শুধুমাত্র একটা ভাইরাসের জন্য যার নাম কোভিড ১৯।

প্রথম বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবও একসঙ্গে এতগুলি দেশের উপর পড়েনি। কিন্তু এই কোভিড ১৯ বা করোনা ভাইরাস সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। সারা বিশ্ব লড়াই করছে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে। তাহলে কি একেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলা যায় না? নিজের নতুন গানের মাধ্যমে এমনই প্রশ্ন রেখেছেন শিল্পী আকিব হায়াত। বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আকিবের এই গান মুক্তি পেয়েছে ৩১ জুলাই, তাঁরই ইউটিউব চ্যানেলে।

সারা বিশ্বজুড়ে মানুষ এত মৃত্যু কখনো দেখেনি। প্রত্যেকদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। সারা বিশ্ব জুড়ে যেন মৃত্যু মিছিল তৈরি হয়েছে। তাই আকিবের গানে এই কথাগুলি প্রাসঙ্গিক- “এতটা ভয় আগে লাগেনি/ এত মৃত্যু আগে দেখিনি/ এটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ মেনে নাও…”

আকিব নিজেই গানটি লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ভাবনাচিন্তা এই গানের মাধ্যমে পৌঁছে দিয়েছেন শ্রোতাদের কাছে। গানটির ভিডিও ফুটেজেও তাই বারবার উঠে আসে, এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত মানুষ কিভাবে লড়ছে। গানটির অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। গিটার বাজিয়েছেন সোমেশ্বর ভট্টাচার্য্য। ভিডিও শুট করেছেন নাসিমা বানু এবং সম্পাদনা করেছেন সোহম মন্ডল।

তবে গানের শেষে আশার আলো রেখেছেন আকিব হায়াত। এই মহামারী থেকে বাঁচতে একমাত্র ভরসা এখন ভ্যাকসিন। সেই ভ্যাকসিন এর অপেক্ষায় সময় গুনছে সারা বিশ্বের মানুষ। তাই গানের শেষে ভ্যাকসিন যে আসবে সেই আশার বার্তা দিয়েছেন শিল্পী।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও