ফাইল ছবি। প্রতিবেদনের সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

নয়াদিল্লিঃ  বাংলায় বেশ কিছু অশান্তি হলেও মোটের উপর দেশজুড়ে শান্তিতে ভোট মিটেছে তৃতীয় দফার। ভোট শান্তিতে মিটলেও ইভিএম নিয়ে গরমিলের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা। এই প্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারকে বদলে দিতে চায়। কিন্তু ইভিএমে সমস্যা থাকলে ভোটারদের সেই মনোভাবের প্রতিফলন পাওয়া যাবে না। এই নির্বাচনে এটিই একমাত্র চিন্তার বিষয়। অখিলেশের সঙ্গেই একমত শরদ পাওয়ারও।

অখিলেশ ইভিএমের কারসাজির অভিযোগ তুলে আরও বলেন, ‘দেশজুড়ে ভোটিং মেশিন ঠিক মতো কাজ করছে না অথবা যে কোনও বোতাম টিপলেই বিজেপিতে ভোট চলে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৩৫০-এর বেশি ইভিএম বদলাতে হয়েছে। জেলাশাসক বলছেন, ইভিএম চালানোর জন্য ভোটকর্মীরা প্রশিক্ষণ পাননি।’ তাঁর সংযোজন, ‘৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে যে নির্বাচন হচ্ছে, সেখানে এই ধরনের ঘটনা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন সপা সুপ্রিমো। ইভিএমে সমস্যা কোনও অশুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অখিলেশ। বিষয়টিকে সামনে রেখে আগামিদিনে কমিশনের দ্বারস্থ হবে তাঁর দল। এমনটাই জানিয়েছেন সপা নেতা।

অখিলেশ এবং শারদ পাওয়ারের মতো ইভিএম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। তাঁর অভিযোগ, তৃতীয় দফার নির্বাচন চলার সময় গোয়ার বিভিন্ন বুথ থেকে ইভিএমে সমস্যার খবর এসেছে। কেন এত ইভিএম খারাপ হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেজরিওয়াল। প্রসঙ্গত গত কয়েকদিন আগে মমতার ব্রিগেড সমাবেশে দাঁড়িয়ে ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা সহ বিরোধীরা। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, ইভিএমে সহজেই কারচুপি ও হ্যাক করা যায়। এরপরেই কমিশনের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। ব্যালট মেশিনে যাতে ভোট করানো যায় সেই দাবি জানান। কিন্তু কমিশন বিরোধীদের সমস্ত দাবি খারিজ করে দেয়।