রায়পুর : চলে গেলেন বর্ষীয়ান নেতা ও ছত্তিশগড়ের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী অজিত যোগী। শুক্রবার বেলা ৩.১৫ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ট্যুইট করে ৩.৩৫ নাগাদ এই খবর জানান তাঁর ছেলে অমিত যোগী। তাঁর গ্রাম গোরেলাতে শনিবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে অজিত যোগীর।

ট্যুইট করে অমিত যোগী লেখেন শুধু তিনি নন, গোটা ছত্তিশগড় নিজের পিতাকে হারাল। শেষকৃত্যের সময় ও স্থানও এদিন জানান তিনি। তার আগে, অজিত যোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ৯ই মে পর পর দুটি হার্ট অ্যাটাক হয় তাঁর। বাড়িতে থাকাকালীনই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ২০০০ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৩ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অজিত যোগী।

২০১৬ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসে জনতা কংগ্রেস ছত্তিশগড় নামে একটি দল গঠন করেন তিনি। আইপিএস ও আইএএস দুটি শাখাতেই নির্বাচিত হয়েছিলন অজিত। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিসেবে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত কাজ করেছেন তিনি। ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে মধ্যপ্রদেশ থেকে নির্বাচিত রাজ্য সভার সদস্য ছিলেন তিনি।

তাঁর স্ত্রী ডঃ রেণুকা যোগী ও পুত্র অমিত যোগী। অজিত যোগী একমাত্র কন্য অনুশা ২০০০ সালেই মারা যায়। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর পরামর্শে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন অজিত যোগী। যোগদান করেন কংগ্রেসে। গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ দিগ্বিজয় সিং ও অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে খ্যাতি লাভ করেন।

১৯৯৮ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় দুবার মনোনীত হন তিনি। ২০০০ সালে যখন রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ছত্তিশগড়, তখন কংগ্রেস ৯০টি আসনের মধ্যে ৪৮টিতে জয়লাভ করে। উপজাতি অধ্যুষিত ওই রাজ্যে কোনও উপজাতিকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চেয়েছিল। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অজিত যোগী। ১.২ লক্ষ ভোটে জেতেন তিনি। সেই ভোটের প্রচার চলাকালীনই এক দুর্ঘটনায় আংশিক প্যারালাইজড হয়ে যান অজিত যোগী।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব