নয়াদিল্লি: প্রজেক্ট চলছিল অনেক দিন ধরেই। তবে গ্রিন সিগন্যাল পাওয়া যায় বছর দুয়েক আগে। ‘মিশন শক্তি’ সফল হওয়ার পর এমনটাই বললেন ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান সতীশ রেড্ডি। তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে এই মিশনের বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর মতামত নিয়ে তিনিই এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

ডিআরডিও চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, গত ৬ মাস ধরে চলছিল ‘মিশন মোড’। অর্থাৎ তৎপরতার সঙ্গে কাজ চলছিল। নির্ধারিত দিনে মিসাইলটি পরীক্ষা করতে ১০০ জন বিজ্ঞানী দিন-রাত কাজ করছিলেন বলে জানিয়েছেন সতীশ রেড্ডি। বুধবার ঠিক সকলা ১১টা ১৬ মিনিটে ওড়িশার বালাসোর থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় ওই মিসাইল। মাটি থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে একটি অকেজো হয়ে যাওয়া স্যাটেলাইটে আঘাত করে সেই মিসাইল।

মহাকাশে যাতে আশেপাশের অন্যান্য জিনিসে আঘাত না লাগে, তাই দায়িতবশী। দেশ হিসেবেই ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বের ওই স্যাটেলাইটকে ধ্বংস করা হয়।

ডিআরডুও-র আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, ‘কাইনেটিক কিল’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে। অর্থঅৎ,সরাসরি স্যাটেলাইটে যাতে আঘাত করা যায়, সেই ব্যবস্থাই করা হয়। তবে পুরো প্রযুক্তিই দেশে তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সতীশ রেড্ডি।

বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সাফল্যের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে এই সাফল্য পেল ভারত। এর আগে কেবল আমেরিকা, চিন ও রাশিয়ার কাছেই এই ক্ষমতা ছিল।