সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা : আইনক্স হলে তিনি যখন প্রবেশ করছিলেন পাশ থেকে কোথাও যেন ভেসে আসছিল সিংঘম এন্থেম। কিন্তু তিনি তো এখন তানাজি মালাসারে। বীর মারাঠা যোদ্ধা। সেই মারাঠা যোদ্ধা বাংলার মাটিতে এসে জানালেন , বাংলার বুকেও রয়েছেন অনেক অজানা অচেনা মানুষ যাদের ত্যাগ এই দেশের জন্য প্রচুর তাঁদের নিয়েও তিনি ছবি বানাবেন।

মঙ্গলবার নিজের নতুন ছবি তানাজির প্রচারে এসে এমনটাই জানালেন অজয় দেবগণ। বিভিন্ন কথার মাঝে বারবার ফিরে এল বাংলা, বাঙালি এবং কলকাতার কথা। উল্লেখযোগ্য বাংলার হারিয়ে যাওয়া ‘হিরো’দের নিয়ে ছবি তৈরির ইচ্ছা প্রকাশ। ছবির ট্যাগ লাইন ‘দ্য আনসাং হিরো’ কেন বোঝাতে গিয়ে অজয় বললেন , ‘তানজির বীরত্বের কথা আমরা স্কুলের বইতে কিছুটা পড়েছি। কি

কিন্তু তাঁর ত্যাগ কতটা বেশি ছবি করতে গিয়ে বুঝতে পেরেছি। এটাই আমি সবাইকে জানাতে চাইছি। আমার মনে হয় তানাজি মুম্বইতে যতটা খ্যাত ততটাই অজানা ভারতের অন্যান্য প্রান্তে।’ অজয় বলেন, ‘এই কাজটাই আমরা করতে চাইছি। যেমন ধরা যাক বাংলায় এমন অনেক বিখ্যাত মানুষ রয়েছেন যাদের ত্যাগ নিয়ে আলোচনা হয় না, অথবা তিনি বাংলায় যতটা খ্যাত ততটাই অজানা দক্ষিণ ভারতে। আমরা আমাদের এই আনসং হিরোর অনেকগুলো সিক্যুয়েল বানাবো সেখানে বাংলার অংশ অবশ্যই থাকবে। দেখা যাক কে হন সেই আনসং হিরো’।

আবার ফুটবলার পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা টেনে অজয় বললেন ‘আমি মনে করি উনি বাংলার আনসাং হিরো’। তারপরেই মজার ছলে অজয় বললেন , ‘কলকাতা খুব মিষ্টি শহর তবে এই কয়েকদিনে প্রচুর মিষ্টি খেয়েছি। আমার ওজন বাড়িয়ে দিয়েছে’ কলকাতায় শুটিংয়ের স্মৃতিও ভাগ করে নিলেন অজয়।

সব শেষে জানালেন , ১০০তম ছবি মুক্তির অপেক্ষায়। কিন্তু এখনও তিনি শিখছেন। শিখতে চান। আর এই শহর যেন তাঁর নম্রতায় মুগ্ধ। কাঁটে নয় ফুল দিয়েই বরণ করতে চায় তাঁর নতুন চরিত্র তানাজিকে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও