মুম্বই : ফের দুঃসংবাদ সংবাদ বলিউড মহলে। প্রয়াত বলিউডের অন্যতম প্রতিভাবান এবং তরুণ ফিল্ম এডিটর অজয় শর্মা। কোনো ছবি দর্শকের কাছে মনোগ্রাহী করে তুলতে একজন ফিল্ম এডিটরের ভূমিকা এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির গুরুত্ব অবর্ণনীয়। অজয় শর্মা এর আগে বহু জনপ্রিয় হিন্দি ছবির ফিল্ম এডিটিং করেছেন তার মধ্যে অন্যতম নাম ‘জগ্গা জাসুস’, ‘লুডো’,’কারওয়াঁ, কারুকাজ, তুম মিলে, প্যায়ার কা পঞ্চনামা। এমনকী তাপসী পান্নুর আসন্ন ছবি ‘ রশমি রকেট’-এর এডিটিং এর দায়িত্বেও ছিলেন অজয় শর্মা। কিন্তু সম্পূর্ণ হল না ছবির এডিটিং । তার আগেই সবাইকে বিদায় জানিয়ে ঈশ্বরের কোলে আশ্রয় নিলেন অজয় শর্মা ।

‘বরফি’, ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’, ‘অগ্নিপথ’, ‘কাই পো চে’, ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’, ‘ড্রাটি পিকচার’-এর মতো ছবির কো এডিটর হিসাবে কাজ করেছেন অজয়। এমনকি তিনি বেশ কয়েক বছর আগে ‘জলি’ নামাঙ্কিত একটি শর্টফিল্ম এর পরিচালনা করেছিলেন।

সাম্প্রতিক কালে আমাজন প্রাইমের অন্যতম মিউজিক্যাল ওয়েব সিরিজ ব্যান্ডিট বন্দিশ-এর এডিটিং করেছিলেন তিনি। আচমকাই তরুণ ফিল্ম এডিটরের প্রয়াণে ভেঙে পড়েছে তাঁর সহকর্মীরা। মঙ্গলবার রাতে মৃত্যু হয়েছে অজয়ের। কিন্তু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। অজয় শর্মার মৃত্যুর খবর টুইটারে জানিয়ে অভিনেত্রী শ্রিয়া পিলগাঁওকার লেখেন- ‘বিধ্বস্ত শব্দটা খুব ছোট হয়ে যাবে! আমরা অজয় শর্মাকে হারালাম, শুধু একজন অসাধারণ ফিল্ম এডিটর নয়, এক বিশাল মনের মানুষও।সবকিছু কেমন যেন অর্থহীন হয়ে যাচ্ছে’।  টি এস সুরেশ লিখেছেন,’ জীবন খুব ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। তুমি শান্তিতে ঘুমিয়ে অজয় শর্মা। খুব তাড়াতাড়ি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন একজন দুর্দান্ত প্রতিভা।’

একজন তরুণ তুর্কির অকাল প্রয়াণে কার্যত হতবাক বিটাউন। মৃত্যুর খবর এখনো অজানা। কেন,কীভাবে, কী হল সেই উত্তরই খুঁজছে সবাই। শুধু ফিল্ম এডিটিং নয় তার সঙ্গে অজয়ের ক্ষুরধার দার্শনিক মতবাদও যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল বলিউডে। নিজের ব্যাপারে তিনি বলতেন,’ আমি চ্যাম্পিয়ন নই কিন্তু আমি গেম চেঞ্জার।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.