মুম্বই: এই মুহূর্তে, ‘মে ডে’ ছবির পরিচালনা নিয়ে খুবই ব্যস্ত রয়েছেন অভিনেতা পরিচালক প্রযোজক অজয় দেবগন। ‘মে ডে’ তে শুধুমাত্র পরিচালনার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন এমনটা নয় বরং পরিচালনার সঙ্গে সঙ্গে এই ছবিতে অভিনয়ও করছেন তারকা। ফলত, ব্যস্ততা তাঁর দ্বিগুণ। আর তার মধ্যে ‘মে ডে’ র কাস্ট ইতিমধ্যেই তুমুল হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বিনোদন মহলে। ‘মে ডে’-তে অজয়ের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চলেছেন অমিতাভ বচ্চন,বোমান ইরানি, রকুল প্রীত সিংকে।

‘মে ডে’ ছাড়াও অজয়ের ঝুলিতে রয়েছে লম্বা ছবির লিস্ট। ‘থ্যাংক গড’,’আরআর আর’, ‘গঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’-র মতো বিগ বাজেটের ছবি। অন্যদিকে গত সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে ডিজনি+ হটস্টার-এ অজয় দেবগনের প্রযোজনা সংস্থার ছবি ‘ দ্য বিগ বুল ‘। সেখানে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন। সব মিলিয়ে এই ছবি যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে দর্শকদের থেকে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই দারুণ চমক দিল অজয় দেবগন। বড় পর্দার ছবি প্রযোজনার পাশাপাশি,প্রযোজক হিসেবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখার সঙ্গে এবার ওয়েব সিরিজে অভিনেতা হিসেবে ‘ ডেবিউ ‘ করতে চলেছেন অজয় দেবগন । বি টাউনের অন্দরমহলের সূত্রের খবর, জনপ্রিয় ব্রিটিশ শো ‘লুথার’ এর রিমেকের মাধ্যমেই ওয়েব সিরিজে পদার্পণ করে নতুন যাত্রা শুরু করতে চলেছেন অজয়।

‘লুথার’-এর মূল শোয়ের মুখ্যভূমিকায় দেখা গেছিল বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা ইদ্রিস এলবা-কে। সব ঠিক থাকলে এই সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে অজয়ের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় দেখা যেতে পারে ইলিয়ানা ডি’ক্রুজকে। এই ছবি মুখ্যচরিত্রের নাম ‘সুদর্শন’! গত মার্চ মাসে অজয়ের করা একটি ট্যুইটে নিজের ফলোয়ার্সদের উদ্দেশে এই অজয় বলেন,এবার থেকে যেন তাঁকে ‘সুদর্শন’ নামে ডাকা হয়। তখন সবাই ভেবে বসে ছিল অজয় হয়তো তার আগামী প্রজেক্ট যার নাম সুদর্শন তার কথা বলছেন।

“লুথার’এর রিমেকের পরিচালনা করছেন ‘ফেরারি কি সওয়ারি’,’ভেন্টিলেটর’ ছবি খ্যাত পরিচালক রাজেশ মাপুস্কর। ‘রেইড’,’বাদশাহো’ প্রভৃতি ছবিতে আমরা দেখেছি অজয়-ইলিয়ানা জুটির ম্যাজিক অজয় ভক্তরা নিশ্চিত এই ছবি ও দারুন হিট হতে চলেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.