মুম্বই : চাকরি করা মহিলাদের প্রায় প্রশ্ন করা হয় বাড়ি এবং কাজ একসঙ্গে কীভাবে সামলান তারা? তার ওপর ওয়ার্কিং মাদার্সের দায়িত্ব আরও অনেক বেশি৷ কিন্তু মহিলাদের কাছে এসব তেমন কঠিন কাজ নয়৷ কারণ এইভাবেই তারা সবটা সামলে এসেছেন এতদিন৷ আর পাঁচজন সাধারণ মহিলার মতো মিস ওয়ার্ল্ড ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনও ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবন ভালোভাবেই ম্যানেজ করতে পারেন৷ কিন্তু তাঁর মাতৃত্ব নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছে নেটিজেন৷

ঐশ্বর্যার ফ্যান ফলোয়িং নিঃসন্দেহে অগণিত তবে ফ্যানেদের অভিনেত্রীর কিছু আচরণ মোটেই পছন্দ না৷ তার মধ্যে একটি হল আরাধ্যাকে নিয়ে তাঁর ওভারপ্রোটেক্টিভনেস৷ আরাধ্যাকে কোলছাড়া না করার জন্য এবারেও ট্রোলড হলেন তিনি৷

ঐশ্বর্যা সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে অ্যাকউন্ট খুলেছেন৷ সেখানেও অধিকাংশ ছবি আরাধ্যাকে নিয়ে৷ এতেই খুঁত খুজছেন সাইবারবাসী৷ এয়ারপোর্টে যখনই পাপারাৎজি তাঁর ছবি কিংবা ভিডিও তোলার চেষ্টা করে তখনই আরাধ্যার হাত ধরে ঐশ্বর্যাকে হাঁটতে দেখা যায়৷ এমনকি মাঝে মধ্যে মেয়েকে কোলে নিয়েও হাঁটেন তিনি৷

সম্প্রতি ডাব্লুআইএফটির তরফ থেকে অভিনেত্রীকে মেরিল স্ট্রিপ অ্যাওয়ার্ড অব এক্সেলেন্স দিয়ে সম্মানিত করা হয়৷ সেই ইভেন্ট থেকে ফেরার সময় আরাধ্যার হাত ধরে এয়াপোর্টে হাঁটছিলেন তিনি৷ পাশে ছিলেন ঐশ্বর্যের মা-ও৷ সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা প্রশ্ন করে, “সবসময়ে ঐশ্বর্যা নিজের মেয়েকে কোলে নিয়ে হাঁটেন৷ কেন? ও কি নিজের পায়ে হাঁটতে পারে না? এতো অবসেসড কেন তুমি নিজের মেয়েকে নিয়ে৷” আরও অনেকে কমেন্টে লিখেছেন, “মেয়েকে একমিনিটের জন্য অন্তত একা হাঁটতে দাও৷ পাশে তোমার মাকে দেখ৷ তাঁকে তোমার ধরা প্রয়োজন৷ উনি ঠিক করে হাঁটতেই পারছেন না৷ তাও তুমি তোমার মেয়ের হাত ছাড়ছ না৷”

অনেকে এও বলেছে, “যে আরাধ্যাকে সাধারণ মনেই হয় না৷ ও কি ঠিক করে হাঁটতে পারে না? পায়ে কোনও সমস্যা আছে? তাহলে সবসময়ে ওকে কোলে কিংবা হাত ধরে নিয়ে যেতে হয় কেন? ওর থেকে তো তৈমুর অনেক ভালো৷ এই বয়সে যথেষ্ট কনফিডেন্ট ও৷ একা একা খেলে বেড়ায়, হাঁটতেও শিখে গিয়েছে৷ আর আমরা আরাধ্যাকে কোনওদিন একটু দৌড়তে পর্যন্ত দেখলাম না৷ অনেক হয়েছে, এবার ঐশ্বর্যার ওকে একটু একা সময় কাটাতে দেওয়া উচিত৷ ওর কি স্কুল, পড়াশোনা নেই? সব জায়গায় নিজের সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার কোনও দরকার নেই৷”

View this post on Instagram

Circle of Life ????????✨

A post shared by AishwaryaRaiBachchan (@aishwaryaraibachchan_arb) on

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.