সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : এই মুহুর্তে সারা বিশ্ব করোনা ভাইরাসের আক্রমণকে প্রতিরোধ করার উপায় খুঁজছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ইতিমধ্যেই একে বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা করেছে। দেশে এবং রাজ্যেও এই ভাইরাসের মারণাঘাত এসে হাজির হয়েছে।

এমতাবস্থায় প্রয়োজন সবাই মিলে এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় অনুসন্ধান। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে রাজ্য সরকার বেশ কিছু সদর্থক পদক্ষেপ নিলেও কিছু বিষয়ে ঘাটতি থেকে গেছে বলেই আমরা মনে করছে AISA। সেই দাবিদাওয়া নিয়েই আইসা কলকাতা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। নাগরিক সুরক্ষার স্বার্থে আগামীদিনে এই দাবিদাওয়া পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার দাবী জানিয়েছে AISA।

তাঁদের দাবী গুলি কি?
১) করোনা পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষিত উপযুক্ত পরীক্ষাগার এলাকায় এলাকায় বানাতে হবে এবং বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা ও কোয়ারান্টাইনের ব্যবস্থা করতে হবে।

২) প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে প্রতিদিনের মিড-ডে মিল এবং পর্যাপ্ত রেশন পৌঁছনোর ব্যবস্থা করতে হবে।

৩) প্রতিটি দরিদ্র ও বঞ্চিত পরিবার এবং পথবাসীদের সাবান, জল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবারাহ করতে হবে।

৪) কলকাতা কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সম্ভাবনাময় রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য সংক্রমণ মুক্ত অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে।

৫) স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্যের গোপন মজুতদারি ও কালোবাজারি কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।

৬) বিভিন্ন পরিসরে যারা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসাপদ্ধতি ও গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। করোনা বিষয়ে সমস্ত রকম বিভ্রান্তি দূর করতে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে সচেতনতা প্রসারের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

৭) গত কয়েকদিন ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবনীয় মূল্যবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। জিনিসপত্রের এই কালোবাজারি এবং গোপন মজুতদারি রুখতে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সদর্থক ভূমিকা নেওয়া হোক।

এর পাশাপাশি , অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বিপ্লবী ছাত্র সংগঠনের ঐতিহ্য বজায় রেখে , করোনা প্রতিরোধে যে কোনও উদ্যোগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য চাওয়া হলে আমরা সাহায্য করতে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকব।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।