সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : ‘আলো আমরা নেভাবো না’। অনেকটা কাগজ আমরা দেখাবো না-র মতো শুনতে লাগছে? একদমই তাই। এখন কাগজের প্রতিবাদ দূরে সরিয়ে রেখে মোদীর আলো বন্ধের অনুষ্ঠানকে ধিক্কার জানাচ্ছে AISA। দাবী খুব স্পষ্ট। চাই টেস্ট, চাই PPE, চাই খাদ্য।

বাম ছাত্র সংগঠনের পক্ষে জানানো হয়েছে, দেশের অর্থনীতিতে লালবাতি জ্বালিয়ে এখন ঘরে ঘরে মোমবাতি জ্বালাতে বলছেন নরেন্দ্র মোদী। হাততালি, মোমবাতি এসব ভাঁওতাবাজি। তাই তাঁদের সমস্বরে দাবি একটাই টেস্ট, PPE এবং খাদ্যের যোগান করুক কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কাজ করতে পারছে না তাই তাঁরা আলো নেভাবেন না। তাঁদের স্পস্ট কথা , ‘লাভ কী হাততালি দিয়ে? ডাক্তারদের তো হাত খালি! প্রদীপ নয়, PPE চাই কুসংস্কার নয়, করোনা টেস্টকিট চাই।’ তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন , ‘করোনা মোকাবিলায় দিনরাত এক করে যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা খাটছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁদের সুরক্ষা নিয়ে কী ভাবছে সরকার? সেটার বিন্দুবিসর্গ বোঝা যায়নি মোদীজীর ভাষণে!’ দাবি, ‘ওঁদের জীবনের ডেডিকেশন ও উদ্বেগকে কেবল হাততালি ও থালা বাজানোর মত সস্তা প্রচারধর্মী কাজ কিম্বা ইনসিওরেন্সের অর্থমূল্য ঘোষণা দিয়ে চাপা দেওয়ার বা কিনে ফেলার ঘৃণ্য চেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করুক সরকার।’

AISA জানাচ্ছে, ‘করোনা সংক্রমণ বুঝিয়ে দিয়েছে যে, সরকারি ক্ষেত্র ছাড়া আপামর ভারতবাসীর স্বাস্থ্যসংকট মোকাবিলার কোনও কার্যকরী ভরসার জায়গা নেই। সুতরাং মুনাফাসর্বস্ব স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীদের লাভের গুড় নয়, অত্যাধুনিক পরিকাঠামো সহযোগে সরকারী জনস্বাস্থ্য পরিষেবাকে দেশবাসীর মৌলিক অধিকারে পরিণত করতে হবে। ‘WHO’ ও করোনা প্রতিরোধে বেশি সফল দেশগুলোর লক্ষ্য ও কাজ একটাই টেস্ট, টেস্ট ও টেস্ট।’ সেটাই চাইছেন তাঁরা।

শুক্রবার ভিডিও বার্তায় করোনাভাইরাসের কারণে যে ভাবে দেশ জুড়ে সঙ্কটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত ২৫ মার্চ দেশ জুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন তিনি। ঠিক তার ৯ দিনের মাথায় ওইদিন ফের দেশবাসীর উদ্দেশে করোনা নিয়ে ভাষণ দেন মোদী। তিনি বলেন, ‘লকডাউনের আজ নবম দিন। আপনারা যে ভাবে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন তা প্রশংসনীয়।’ এরপরেই তিনি বলেন , ‘৫ এপ্রিল আপনাদের সকলের কাছ থেকে ৯ মিনিট সময় চেয়ে নিচ্ছি। ওই দিন রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য সকলে ঘরের আলো নিভিয়ে রাখুন। ওই সময় বাড়িতে থেকেই প্রদীপ, মোমবাতি, টর্চ জ্বালান। তাও যদি না হয়, মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালান।’ এরই বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে এই বাম ছাত্র সংগঠন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।