নয়াদিল্লি: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এয়ারটেল পেমেন্ট ব্যাঙ্ক প্রতিদিন গ্রাহক পিছু আমানতের পরিমাণ বর্তমান ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করল। এবার থেকে গ্রাহকরা এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট-এ আগের থেকে বেশি টাকা সঞ্চয় করতে পারবে। সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জানায় এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্ক বর্তমানে দেশের প্রথম পেমেন্ট ব্যাঙ্ক হয়ে উঠেছে। এবং তাদের গ্রাহক পিছু আমানতের পরিমাণ বর্তমান ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কের এমডি এবং কার্য নির্বাহী প্রধান অনুব্রত বিশ্বাস জনিয়েছেন, তহবিল বাড়ানোর বিষয়ে আরবিআইয়ের সিদ্ধান্তের ফলে ডিজিট্যাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভারতের অর্থনীতিকে আরো আগে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। অনুব্রত বিশ্বাস আরো বলেছেন, এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কে সর্বাধিক ব্যালেন্স সীমা বাড়ানোর ফলে গ্রাহকরা আরো বেশি পরিমানে ব্যবহার করবে। ছোট ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বড় ব্যবসায়ীরাও ধীরে ধীরে এয়ারটেল পেমেন্ট ব্যাঙ্কের প্রতি আকৃষ্ট হবে হবে এবং সুবিধা পাবে।

ডিপোজিট ইন্সুরেন্স এন্ড ক্রেডিট গ্যারান্টি কোঅপারেশনের (Deposit Insurance and Credit Guarantee Corporation) আওতায় এই তহবিল জমা হয়। এটা সম্পূর্ণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রিত কোম্পানি। দেশের পরিযায়ী শ্রমিক, গরিব পরিবার এবং ছোট ব্যবসায়ীদের স্বল্প সঞ্চয়ে উৎসাহ দেওয়া এবং পেমেন্ট ও রেমিটান্স পরিষেবার সুবিধা দিতে এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সূচনা।

এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্কের ৫৫,০০,০০০ জন ব্যবহারকারী রয়েছেন এবং তারা প্রযুক্তিগত দিক থেকে এবং খুচরা ব্যবসার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিষেবা প্রদান করে। এয়ারটেল ব্যাঙ্কের ৫,০০,০০০ প্রতিবেশী ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা ভারতের সমস্ত ব্যাঙ্ক শাখা এবং এটিএমের চেয়ে বেশি।

৭ ই এপ্রিল ভারতে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার প্রসারে পেমেন্ট ব্যাঙ্কগুলিতে গ্রাহক পিছু আমানতের পরিমাণ বর্তমান ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)। যদিও দীর্ঘদিন ধরেই আমানতের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল পেমেন্ট ব্যাঙ্কগুলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.