নয়াদিল্লি: ভোডাফোনের পর সামনে এল এয়ারটেলের বিপুল ক্ষতি। রিলায়েন্স জিওর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে গিয়ে মাথায় হাত পড়েছে এই সংস্থার। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে সংস্থার লোকসান হয়েছে ২৩,০৪৫ কোটি টাকা। অথচ এই বছরের শুরুর দিকে তাদের ১১৮ কোটি টাকা লাভ হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত হিসেবে ভারতে মোবাইল পরিষেবা থেকে এয়ারটেলের আয় হয়েছিল ১০,৭২৪ কোটি টাকা। ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে তা বেড়ে হয় ১০,৮১১ কোটি। একইভাবে ওই তিন মাসের ব্যবধানে সংস্থার গ্রাহক সংখ্যা ২৭৬.৮১ মিলিয়ন থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭৯.৪৩ মিলিয়ন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিকতম নির্দেশ অনুসারে লাইসেন্স ফি বাবদ এই ত্রৈমাসিকে মূল, সুদ এবং জরিমানা মিলিয়ে মোট ২৮,৪৫০ কোটি অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। আর তার জন্যই এই বিপুল ক্ষতি।

দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে চলা একটি মামলার রায়ে সংস্থাগুলির আয়ের কোন হিসেব ধরে লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম ব্যবহারের ফি ধার্য হবে, তা নিয়ে কেন্দ্ৰীয় টেলিকম দফতরের (DoT) হিসেবকে মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যার জেরে জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া-সহ দেশের আটটি সংস্থাকে বিপুল টাকা দিতে হচ্ছে। এদের মধ্যে ভোডফোন ও এয়ারটেলের জরিমানা সবথেকে বেশি। তুলনায় জিও-কে অনে কম টাকা দিতে হবে।

এই সুপ্রিম নির্দেশে এয়ারটেলকে ২১,৬৮২ কোটি এবং ভোডা-আইডিয়াকে ২৮,৩০৮ কোটি দিতে হবে সরকারকে। তবে তিন বছর আগে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করার কারণে জিওকে দিতে হবে মাত্র ১৩ কোটি টাকা। ট্যারিফ যুদ্ধ এবং প্রবল ঋণভারে জর্জরিত এদেশের টেলিকম সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে এই সুপ্রিম-রায় বড় ধাক্কা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।