ভারতের অন্যতম বড়ো টেলিকম সংস্থা আয় বাড়ানোর জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই টেলিকম সংস্থা ডিজিটাল সম্পদ থেকে আয় বাড়ানোর পথে হাটছে। টেলিকমের দিকে দায় খানিকটা কমাতে তারা শুরু করছে একটি নতুন কর্পোরেট কাঠামো। নতুন কাঠামো হিসেবে টেলিকম সংস্থা বেশি মাত্রায় আলোকপাত করতে চলেছে বিষয়বস্তু, অর্থ প্রদানের মাধ্যম, সঙ্গীত এবং ক্লাউড পরিষেবাগুলিতে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সংস্থাটি এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের জন্য ৫ জি-রেডি আইওটি মাধ্যমগুলি চালু করার পরে এই উন্নয়নের কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রির তরফে খবর, নতুন দিকটি টেলিকম সংস্থাটির  মুখ হিসেবে তুলে ধরা হবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির বিনিয়োগ আকর্ষণ করবার কারণ হিসেবে।

টেলিকম সংস্থাটি জানিয়েছে এই নতুন কর্পোরেট কাঠামোতে মিত্র পেমেন্ট, উইঙ্ক মিউজিক, এয়ারটেল এক্সট্রিম, এয়ারটেলেল থ্যাঙ্কস অ্যাপ, এয়ারটেল সিকিউর, এয়ারটেল ক্লাউড, এয়ারটেল আইকিউ এবং ভবিষ্যতের সমস্ত ডিজিটাল পরিষেবা বা পণ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর পাশাপাশি টেলিকম সংস্থা আরও উল্লেখ করে জানিয়েছেন, রাজ্যের বোর্ড এই প্রকল্পটি অনুমোদন করেছে এবং এয়ারটেলকে সমস্ত অনুমোদনের জন্য ফাইল করার অনুমতিও দিয়েছে।

এছাড়াও এয়ারটেল এর সঙ্গে আরও উল্লেখ করে জানিয়েছে, ক্যারেজ, টেলিকম এবং ডিটিএইচ এর মতো পরিষেবাগুলি পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করবার জন্য কমিউনিকেশন এবং ইনফর্মেশন ব্রডকাস্টিং এর মতো দুটি পৃথক মন্ত্রকের কাছে লাইসেন্স পলিসির বিষয় পাওয়ার জন্য দ্বারস্থ হয়েছে।

টেলিকম সংস্থার ডিজিটাল নানা মাধ্যমগুলি চালু করার কারণ হচ্ছে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করা। এয়ারটেলের আগে এই পথে যাত্রা শুরু করেছিল ভারতের অন্যতম আরেকটি বড়ো টেলিকম সংস্থা রিলাইন্স জিও। ২০২০ সালে জিও এই একই পরিকল্পনার ফলে ১৩ টি নতুন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করেছিল। মুকেশ আম্বানির সংস্থা জিও ২০২০ সালে বিশ্ব বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। অন্যদিকে যেখানে ভারতের টেলিকম সংস্থা ভারত এয়ারটেলের ২৪ শতাংশ রয়েছে সুনীল মিত্তালের এবং ৩১.৭ শতাংশের মালিক রয়েছে সিঙ্গটেল।

ভারতী এয়ারটেলের চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তাল জানিয়েছেন, নতুন কাঠামোটি চারটি স্বতন্ত্র ব্যবসায়ের উপর আলোকপাত করবে, যা ডিজিটাল, ভারত, আন্তর্জাতিক এবং কাঠামো। তিনি আরও বলেন, এই কাঠামো আগামী বছরগুলিতে আমাদের ভালো পরিষেবার পাশাপাশি সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের জন্য একটি জয় আনবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.