নয়াদিল্লি: এবার উচ্চ-নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সেজে উঠছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। ক্ষমতায় আসার পর থেকে নরেন্দ্র মোদী প্রায়শই বিদেশ সফর করছেন। তাই তাঁর বিমানের সুরক্ষা না বাড়ানো হলে চিন্তায় ঘুম ছুটছে নিরাপত্তা রক্ষীদের। গত কয়েকবছর আগে মিসাইল দিয়ে মিশরে একটি বিমানকে উড়িয়ে দিয়েছিল জঙ্গিরা। এমনকি গত কয়েকমাস আগে হুথি জঙ্গিদের ছোঁড়া মিসাইলের আঘাতে ভেঙে পড়ে যাত্রীবাহী একটি বিমান। তাই এবার আঁটিসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদী এখন যে বোয়িং ৭৪৭ বিমানটি ব্যবহার করছেন তাতে মিসাইল নিরোধক ব্যবস্থা তো নেই, সেইসঙ্গে বহু সুরক্ষা কবচও অনুপস্থিত। সম্প্রতি এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বোয়িং ৭৪৭-কে সরিয়ে বোয়িং ৭৭৭ আনা হবে। ক্ষেপণাস্ত্র নিরোধক করেও গড়ে দেওয়া হবে বিমানের বডি। এছাড়া এয়ার ইন্ডিয়া এখনও বোয়িং ৭৭৭-৩০০-কে ব্যবসায়িক কাজে লাগায়নি। কিন্তু, বোয়িং ৭৪৭-এর বেশকিছু বিমানকে কমার্শিয়াল কাজে লাগানো হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য বরাদ্দ এয়ারফোর্স ওয়ানের সুরক্ষা কবচের মতোই নরেন্দ্র মোদীর বিমানটিকে সাজিয়ে তোলা হবে। এতে একদিকে যেমন থাকবে রাডার প্রতিরোধক, এর ফলে শত্রুর রাডারে ধরা পড়বে না বিমানের উপস্থিতি। অন্যদিকে তেমনি থাকবে আকাশে পাল্টা আক্রমণের বন্দোবস্ত। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থা তো থাকবেই, সেইসঙ্গে থাকবে গ্রেনেড হামলা থেকে রকেট হামলা প্রতিরোধের ব্যবস্থা। থাকবে ২৪ ঘণ্টার জন্য চিকিৎসক। এমনকী, একটা ছোটখাটো অপারেশন থিয়েটারও। সব মিলিয়ে যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তৈরি থাকবে এই বিমান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ