বিজয়ওয়াড়া: অল্পের জন্য় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। শনিবার অন্ধ্র প্রদেশের বিজয়ওয়াড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। বিমানে মোট ৬৪ জন যাত্রী ছিলেন। প্রত্যেকেই সুরক্ষিত রয়েছেন বলে খবর।

আজ, শনিবার বেলা ৪টে ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিজয়ওয়াড়া বিমানবন্দরে রানওয়ের পাশে একটি ইলেকট্রিক পোল বা বৈদ্যুতিন খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায় বিমানটি। সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা এক তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূব করেন। শব্দও হয় বেশ জোরে। কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয়, এই দুর্ঘটনায় কোনও যাত্রীর কোনও ক্ষতি হয়নি। বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জি মধুসূদন রাও জানিয়েছেন, “ওই বিমানে ৬৪ জন যাত্রী ছিলেন। এছাড়া বিমানের চালক ও ক্রু মেম্বাররা ছিলেন। সকলেই সুরক্ষিত রয়েছেন। কারোর কোনও ক্ষতি হয়নি।”

জানা গিয়েছে ওই বিমানটি দোহা থেকে আসছিল। বিকেল ৪টে ৫০ মিনিটে সেটি বিজয়ওয়াড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। ৬৪ জন যাত্রী বিমানে থাকলেও বিজয়ওয়াড়ায় ১৯ জনের নামার কথা ছিল। বিমানটিকে ৫ নম্বর রানওয়েতে নামতে বলা হয়। রানওয়ে ছোঁয়ার পরই এটি রানওয়ের পাশে একটি বৈদ্যুতিন খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিমান চালক ৫ নম্বর রানওয়ের মাঝখানের হলুদ মার্জিন অনুসরণ করার বদলে লিডিং মার্জিন (হলুদ) অনুসরণ করেন। যার ফলে ঘটে দুর্ঘটনা।

বিমানের ডান দিকের ডানাটি রানওয়ের পাশে থাকা ইলেকট্রিক পোলের সঙ্গে ধাক্কা খায়। ইলেকট্রিক পোলটি সঙ্গে সঙ্গে উপড়ে যায়। বিমানের ডানারও ক্ষতি হয়েছে। সেটি তুবড়ে গিয়েছে। কিন্তু যাত্রীদের কোনও ক্ষতি হয়নি। তাঁদের বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার অন্যান্য ক্রু মেম্বাররা তাদের দেখভাল করছেন। টেকনিকাল স্টাফদের হাতে দেওয়া হয়েছে বিমানটি।

এখনও পর্যন্ত এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। জানা যায়নি যাত্রীদের বয়ানও। তবে এটুকু জানা গিয়েছে যে সব যাত্রীর বিজয়ওয়াড়ায় নামার কথা ছিল না অন্য বিমানে তাঁদের নিজেদের গন্তব্যস্থলে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।