নয়াদিল্লি : পাইলট খোদ করোনা আক্রান্ত। দিল্লি থেকে মস্কোগামী বিমানকে তাই ফেরত পাঠানো হল দিল্লিতেই। মাঝ আকাশ থেকেই ওই বিমানটিকে ফেরত পাঠানো হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত তলব করেছে ডিজিসিএ।

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, ওই বিমানটিতে কোনও যাত্রী ছিলেন না। মাঝপথেই কেবিন ক্রুদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা পাইলটকে পরীক্ষা করেন। সেখানেই করোনার বেশ কিছু লক্ষ্ণণ ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিকে ফেরত আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। কি করে এই ভুল হল, একজন করোনা আক্রান্ত পাইলট কি করে বিমান উড়ানের অনুমতি পেলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ। এয়ার বাস A320 NEO উড়ানের পর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। প্রাথমিকভাবে ওই বিমানচালকের উড়ানের অনুমতি পাওয়ার কথা নয়, যদি তিনি করোনা আক্রান্ত হন বলে মনে করছে ডিজিসিএ।

শনিবার সকাল সাতটায় দিল্লি থেকে উড়ান শুরু করে ওই বিমানটি। ফেরত আসে দুপুর সাড়ে বারোটায়। তড়িঘড়ি সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মস্কোতে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিয়ে আসতে রওনা দিয়েছিল A320। ফলে দিল্লি থেকে কোনও যাত্রী তাতে ছিল না। বন্দে ভারত মিশনের অধীনে এই কাজ চালাচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া। উজবেকিস্তানে পৌঁছে জানা যায়, ওই পাইলট অসুস্থ।

এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রের খবর, ওই বিমানের কেবিন ক্রুদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। অন্য একটি বিমানের ব্যবস্থা করে তা মস্কোর উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, লকডাউনের পর দ্বিতীয় দিনের বিমানেই ধরা পড়ে করোনা আক্রান্ত। কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় বিমানের সব যাত্রীকে।

মঙ্গলবার দিল্লি থেকে লুধিয়ানাগামী একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ওই করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির হদিশ মেলে। আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যালায়েন্স এয়ারের সিকিউরিটি বিভাগে কর্মরত। তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ায় বিমানের সমস্ত যাত্রীকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফ ধেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও