বেজিং:  এ যেন আক্ষরিক অর্থেই বাঁদরের গলায় মুক্তোর মালা৷ তবে এ মুক্তো চাকরির৷ হ্যাঁ, বাঁদরদেরই চাকরিতে বহাল করছে চিনা বিমানবাহিনি৷ তা বাঁদররা কি বামান চালাবে? নয়তো বিমান বাহিনিতে বাঁদরদের কেন তাদের নিয়োগ হচ্ছে? নাহ ককপিটের কন্ট্রোল না দিলেও, বেশ কিছু বাঁদর নিয়ে নিজস্ব বাহিনি তৈরি করছে চিনা এয়ারফোর্স৷ আর তাই জোরকদমে চলছে বাহিনিতে বাঁদর নিয়োগ৷

তা কী এমন কাজ, যা বাঁদরদের ছাড়া হবে না? কাজটি হল, পাখি তাড়ানো৷ চিনে পাখির সংখ্যা এত যে মাঝেমধ্যেই বিমানচালকরা প্রমাদ গোণেন৷ কখন যে বিমানেরউড়ানপথে পাখি এসে হাজির হবে কেউ জানে না৷  পাখির সঙ্গে সংঘর্ষে বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে বিভিন্ন দেশেই৷ ১৯৬০-এ এরকমই এক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ইউএস এয়ারক্রাফ্টের বিমান৷ সেই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান প্রায় ৭২ জন যাত্রী৷  ইউএস ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই শতকের প্রথম ১০ বছরেই প্রায় ৫০০টি এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে৷ অন্তত ১৬৬ বার পাখিদের কারণে বিমানকে জরুরীভিত্তিতে অবতরণ করাতে হয়েছে৷ সুতরাং আকাশে পাখিদের ওড়াওড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বিমান কর্তৃপক্ষ৷ কিন্তু বিমানের গতিপথে পাখি চলে এলে করার কিছু নেই৷তাই তাদের আগেই তাড়াতে হবে৷ সেই কাজটিই করবে বাঁদরকূল৷ তাদের কাজ হবে, গাছে উঠে পাখির বাসা ভেঙে দেওয়া৷

 জানা গিয়েছে, এরই মধ্যে বিমান বিভাগের বাঁদর কর্মচারীরা, ১৮০টি পাখির বাসা ভেঙে দিয়েছে৷ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হচ্ছে, এ কাজে বাঁদরদের জুড়ি মেলা ভার৷ সত্যি বলতে, বিমানবিভাগের মানুষ সহকর্মীদের থেকেও এ কাজটা তারা ভালোই করে৷