লে: লাদাখ সীমান্তে সংঘাতের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। প্রায় ২ মাস হতে চলল, এখনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই অবস্থায় দেশ জুড়ে সেনাবাহিনী, বায়ুসেনা সবাইকেই প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

এবার লাদাখ সীমান্তে উড়ল একের পর এক যুদ্ধবিমান। উড়ল মিলিটারি হেলিকপ্টারও।

শনিবারই প্রকাশ্যে এসেছে সেই ছবি। দেখা যাচ্ছে একের পর এক যুদ্ধবিমান উড়ছে চিন সীমান্তের আকাশে। উড়ছে মিগ, সুখোই। অ্যাপাচে হেলিকপ্টারও উড়তে দেখা গিয়েছে।

এদিন ভারতীয় বায়ুসেনার এক স্কোয়াড্রন লিডার বলেন, দেশ জুড়ে সব বায়ুসেনার সদস্যরা প্রস্তুতি নিয়েছে। যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ট্রেনিং নিয়েছে বায়ুসেনা সদস্যরা।

ওই এবার ফোর্স অফিসার জানিয়েছেন, ‘আমাদের জোশ সবসময় হাই।’

অন্যদিকে, লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়াল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোরস।

জুনের ২০ তারিখ জম্মুর কাঠুয়া জেলায় আন্তর্জাতিক সীমানার কাছে অস্ত্রভর্তি পাক ড্রোনকে আটকে দিয়েছে বিএসএফ। সেখানে আমেরিকান রাইফেল, সাতটি গ্রেনেড এবং দুটি ম্যাগাজিন রাইফেল পাওয়া গিয়েছে। সেইসব অস্ত্র জঙ্গিদের কাজে ব্যবহার করার জন্য পাকিস্তান হেক্সাকপ্টার করে নিয়ে যাচ্ছিল বলেই জানা গিয়েছে বিএসএফ সূত্রে।

সেদিনের ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের জঙ্গিমূলক কার্যকলাপ আটকাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পেট্রলিং। অনুপ্রবেশ আটকাতে তৎপর বিএসএফের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যেই বিএসএফের জম্মু ফ্রন্টিয়ারের আইজি এনএস জামওয়াল এবং ডিজিপি দিলবাগ সিং সোমবার সাম্বা জেলার সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ এবং বিএসএফের আরও উচ্চপদস্থ কর্তারা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ