স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ফের বিজেপির ঘর ভাঙালো তৃণমূল। বুধবার তৃণমূল ভবনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন বর্ধমান শহরের এক সময়ের ডাকসাইটে বাম নেতা তথা পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান আইনুল হক।

বছর দুয়েক আগে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। রাজ্যের প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী প্রয়াত নিরুপম সেনের ঘনিষ্ঠ ছিলেন আইনুল হক। ১৯৯৫ সালে এক জন ছাত্রকর্মী হিসেবে বাম আন্দোলনে যোগ দেন আইনুল।

২০০৩-১৩ সাল পর্যন্ত তিনি বর্ধমান পুরসভার একজন কাউন্সিলার এবং পুরপ্রধান ছিলেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন। ২০১৮ সালের গোড়ায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ দল থেকে আইনুলকে বহিষ্কার করে সিপিএম।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি। তবে বছর ঘুরতেই ফের তিনি শিবির বদল করলেন। এদিন তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে আইনুল হক বলেন, “আজ দেশের বড় বিপদ।

বিপন্ন সার্বভৌমত্ব, একই দেশের দুধরনের নাগরিক তৈরি করা, অর্থনৈতিক ইস্যুগুলিকে আড়াল করে ধর্মীয় জিগির তোলা। আমি মনে করছি এসবের বিরুদ্ধে একমাত্র লড়াই করতে পারে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলাম।”

পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, “জেলায় তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তির পাশাপাশি উন্নয়ন শক্তি এবং সমবেত ভাবে সমাজকে একত্রিত করার লড়াইয়ে আইনুল শামিল হবেন।” এ দিন আইনুলের সঙ্গেই তৃণমূলে যোগ দিলেন আরও এক ডাকসাইটে নেতা, পেশায় শিক্ষক সুন্দর পাসওয়ান।

তিনি এর আগে বেশ কয়েকবার গলসি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। গত বছর বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিজেপির শ্রমিক সংগঠনে জাতীয় সম্পাদকের পদে ছিলেন তিনি।

এছাড়াও, এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন ২০১৯-এ বীরভূম লোকসভার প্রার্থী ডা. রেজায়ুল করিম।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।