নয়াদিল্লি : রাম মন্দিরের ভূমি পূজোর কয়েক ঘন্টা আগে সরব দেশের মুসলিম সংগঠন। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের আগে বাবরি মসজিদের স্বপক্ষে সুর চড়ালেন এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াসি। এদিন তিনি বলেন বাবরি মসজিদ ছিল, আছে, থাকবে। অযোধ্যার ইতিহাসে যতই রাম মন্দিরকে গুরুত্ব দেওয়া হোক না কেন, সেই ইতিহাসেই বাবরি মসজিদের ভূমিকা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।

উল্লেখ্য বুধবার (৫ই অগাষ্ট) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্যুইটারে বাবরি মন্দির হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড তৈরি হয়। সেই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে হায়দরাবাদের সাংসদ বলেন বাবরি মসজিদ অযোধ্যায় ছিল, ভবিষত্যেও থাকবে।

এর আগে রাম মন্দির স্থাপনের ভূমি পুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ওয়াসি। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনও বিশেষ ধর্মের পক্ষ নিয়ে তাদের অনুষ্ঠানে কি উপস্থিত থাকা উচিত নরেন্দ্র মোদীর, তবে এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর উদ্বোধনে দেশের প্রধানমন্ত্রীর থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াসি প্রশ্ন তোলেন একজন প্রধানমন্ত্রী কেন কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে থাকবেন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ দেশের প্রধানমন্ত্রী, তাঁর কোনও বিশেষ ধর্মের পক্ষ নেওয়া শোভা পায় না।

একই বিষয় নিয়ে বক্তব্য রেখেছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা এআইএমপিএলবি। রাম মন্দির মামলার রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। তাঁরা বলেন দেশের কোনও মুসলিম যেন কষ্ট না পান। বাবরি মসজিদ চিরকাল থাকবে। সব সময় পরিস্থিতি সবার অনুকূল হয় না। হাগিয়া সোফিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে তাঁরা বলেন ইতিহাস এরকম বহু প্রমাণ রেখেছে।

এদিকে, বহু প্রতিক্ষিত রাম মন্দিরের ভূমি পুজোতে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ একাধিক বিজেপি শীর্ষ স্থানীয় নেতা। নির্দিষ্ট সময়ে পাঁচটি রুপোর ইঁট বসিয়ে শুরু হবে ভূমি পুজো। এই ইঁট পাতবেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

২০১৯ সালের ৫ই অগাষ্ট জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার। ২০২০ সালের ৫ই অগাষ্ট রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর সূচনা। একের পর এক স্বপ্ন সফল করছে বিজেপি-আরএসএস। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যতই ধুমধাম করে রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হোক না কেন, কোনওভাবেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।