কলকাতাঃ  বাংলায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট-ব্যাঙ্কে হানা দিতে চলেছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। আর সে লক্ষ্যেই বাংলায় গত কয়েক বছর ধরে সেই ভীত তৈরি করে এআইএমআইএম। আর তা হওয়ার পরেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মিম প্রধান।

তিনি এবার বাংলার বিধানসভায় প্রবেশ করতে টার্গেট করেছেন দুই-তৃতীয়াংশ আসন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন ছাড়াও ওয়াইসি তফশিলি জাতি-উপজাতি অধ্যুষিত আসনকেও টার্গেট করছেন। যা যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে শাসকদল তৃণমূলের কপালে। বাংলায় মিমের শক্তিবৃদ্ধির পিছনে অনেকেই বিজেপিকেই দায়ী করেছে।

তৃণমূলের তরফেও বিজেপিকে দায়ী করা হয়েছে। যদিও সেই ছক ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা শাসকদল তৃণমূলের। দফায় দফায় বাংলায় আসাউদ্দিন ওয়াইসির দলে ভাঙন ধরাচ্ছে শাসকদল।

তেমনই বুধবার মিম ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রায় ৫০ জন। বুধবার হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু শাখার উদ্যোগে মধ্য হাওড়ার ১৯ নং ওয়ার্ডের টিকিয়াপাড়ায় আয়োজিত এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানেই আসাউদ্দিনের দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমবায় দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী তথা হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অরূপ রায় তাঁদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন।

ওই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু শাখার সভাপতি ইসলামুদ্দিন লালা জানান, এদিন হাওড়ার টিকিয়াপাড়ায় তাঁদের রক্তদান শিবিরে ইসরার হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন মিম থেকে তাঁদের দলে যোগ দেন।

অন্যদিকে, বুধবারই নয়, সোমবারও মিমের একাধিক নেতা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তাঁরা। ব্রাত্যর দাবি, মিম-এর পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে বড় স্তম্ভ, সব থেকে বড় মুখ আনোয়ার হোসেন পাসা যোগ দিলেন তৃণমূলে।

এমনকী তাঁর সঙ্গে আরও অনেকেই শাসক শিবিরে নাম লেখালেন। ফলে এ রাজ্যে থাবা বসানোর আগে ভাঙন লেগে গেল ‘মিম’-এ। যদিও মিম-এর অপর নেতা জামিরুল হাসান বলেন, ‘আনোয়ারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিল। তাই ৬ মাস আগেই দল তাঁকে সাসপেন্ড করেছে। এরা মিম-এর কেউ নয়। মিমের সবাই তৃণমূলে চলে গিয়েছে, এটা একেবারেই মিথ্যা।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।