নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ধর্মের ঘেরাটোপে আটকানো সম্ভব নয়, কারণ এই মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে সাদাকোটের ভগবানদের ওপরও। প্রাণ বাঁচানোই যাদের ধর্ম। দেশের প্রথমসারির হাসপাতাল অল-ইন্ডিয়া-ইন্সটিটিউট-অফ-মেডিক্যাল-সায়েন্স (AIIMS) থেকে COVID-19-এ আক্রান্ত হয়েছেন সেখানকারই ডাক্তার।

দিল্লির AIIMS করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ডাক্তার ওখানেই থাকতেন যাকে বলে রেসিডেন্ট ডক্টর। ফিসিওলজি ডিপার্টমেন্টে (Physiology Department) কর্মরত ডাক্তারকে নতুন প্রাইভেট ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর পরবর্তী পরীক্ষানিরীক্ষা হবে। পাশাপাশি এও জানানো হয়েছে যে তাঁর গোটা পরিবারকে স্ক্রিনিং করানো হবে।

AIIMS হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অল-ইন্ডিয়া-ইন্সটিটিউট-অফ-মেডিক্যাল-সায়েন্সের COVID-19-এ আক্রান্ত ডাক্তারের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাঁদের খোঁজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের প্রথম ঘটনা প্রকাশ্যে আসে জানুয়ারি ৩০ তারিখ। সেখানে চিনের ইউহান থেকে ট্রাভেল হিস্টোরি পাওয়া গিয়েছিল। দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন বলেই জানিয়েছে। নাহলে একধাক্কায় বাড়তে পারে সংক্রমণ।

করোনা ভাইরাস তার ভয়ঙ্কর রুপ দেখাতে শুরু করলে ডাক্তার থেকে স্বাস্থ্যকর্মী সকলেরই খাওয়া-ঘুম উড়েছে। পরিস্থিতি জটিল হলে অভাব তৈরি হয় পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেণ্টের। তাই পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ হলেও থামেনি ডাক্তারের কাজ। সেই পরিস্থিতিতেই সামনে এসেছে দিল্লির এই ঘটনা।

দেশের কোনায় কোনায় পরীক্ষানিরীক্ষা সুযোগ তৈরি করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনেকবেশি মানুষদের গ্রামাঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের অ্যালোপ্যাথিক ডাক্তার, আর্মির, প্যারামিলিটারি এবং রেলওয়ে, আয়ুষ ডাক্তার, মেডিক্যাল ইন্টার্ন, ফাইনাল ইয়ার মেডিক্যাল পড়ুয়া, নার্সিং পড়ুয়া দেরও করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাত লাগাতে বলা হয়েছে।