নয়াদিল্লি: সপ্তাহ শেষে বড়সড় আঘাত হানল করোনা। প্রায় ২.৩৪ লক্ষ আক্রান্ত হল এক দিনে। মৃত্যু হল ১ হাজার ৩০০ জনের। এইমসের প্রধান ড. রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন ভারতে বহুগুন বাড়ছে সংক্রমণ। তাঁর মতে জানুয়ারি ও ফ্রেব্রুয়ারিতে ভ্যাকসিনেশন শুরু হওয়ার পর অনেকেই নিয়ম মানছেন না। তখন থেকেই এই মারণ ভাইরাস আরও দ্রুত হারে ছড়াতে শুরু করেছে। তবে এ ছাড়া আরও কারণের উল্লেখ করেছেন তিনি।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যার এই আচমকা বেড়া যাওয়ার কারণে ভারতের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে যে বড়সড় চাপের সৃষ্টি হয়েছে তা মেনে নিয়েছেন রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি বলেছেন আক্রান্তের সংখ্যা যে ক্রমবর্ধমান হারে বেড়ে চলেছে তার জন্য হাসপাতালে শয্যা এবং সংস্থান বাড়ানো দরকার। তিনি আরও বলেন, জরুরি ভিত্তিতে কোভিড-১৯ মামলার সংখ্যাও হ্রাস করতে হবে। প্রতিটি মানুষের জীবন গুরুত্বপূর্ণ। এই ,ময় অনেক ধর্মীয় অনুষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া একাধিক রাজ্যে নির্বাচনও রয়েছে। কোনও ক্ষেত্রেও করোনার বিধি নিষেধ মানা হচ্ছে না। এগুলি কড়া হাতে নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলেন তিনি। জানান, প্রশাসনকে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে যে ধর্মীয় ভাবাবেগে যেন আঘাত না লাগে আবার করোনা বিধিও ঠিকমতো মেনে চলা হয়।

গুলেরিয়া বলেছেন, মানুষ ভাবছে ভ্যাকসিন ১০০ শতাংশ কার্যকরী। তা কিন্তু নয়। মানুষকে সে কথা মনে রাখতে হবে। এটি নেওয়ার মানে হল যদি কেউ সংক্রমিত হয়, তবে ভ্যাকসিন ভাইরাসকে দেহের মধ্যে অ্যান্টিবডিগুলি বাড়তে দেবে না। ফলে রোগ গুরুতর রোগ হবে না। দিল্লিতে যে করোনা বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সে কথাও এদিন তুলে ধরেন গুলেরিয়া। বলেন, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আগে যেভাবে করোনা বিধি মানা হয়েছিল এবারও তেমনই করা দরকার। দিল্লিতে এক মাস আগে যা পরিস্থিতি ছিল এখন সংক্রমণ আরও বেশি মাত্রায় ছড়িয়েছে। এর থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো উন্নতি ও নিয়ন্ত্রণ দরকার বলে জানান তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.