আমেদাবাদ: গুজরাতে ভয়ঙ্কর হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর হারও বেশি। তাই, তড়িঘড়ি বিশেষ বিমানে গুজরাত নিয়ে যাওয়া হল এইমস চিফ-কে। অমিত শাহের নির্দেশে শনিবার সকালেই গুজরাতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।

এদিন তিনি আমেদাবাদের একটি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরই সবথেকে বেশি আক্রান্ত গুজরাতে। আক্রান্তের সংখ্যা ৭,৪০২। মৃতের সংখ্যা ৪৪৯। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩৯০ জন। সুস্থ হয়েছে ১৮৭২ জন আক্রান্ত।

এই পরিসংখ্যার সামনে আসার পরই এইমস চিফ ড. রণদীপ গুলেরিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয় গুজরাতে। সঙ্গে যান ড, মনীশ সুরেজা। এয়ার ফোর্সের বিশেষ বিমানে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের।

এদিন আমেদাবাদের হাসপাতালে যাওয়ার পাশাপাশি গুজরাতের প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারির সঙ্গেও দেখা করেন ড. গুলেরিয়া।

আগেই বিশেষজ্ঞরা জানান, করোনাভাইরাস এর অনেকগুলো টাইপ আছে। আর গুজরাতে ছড়িয়েছে L-Type ভাইরাস। আর তার জন্য এখানে মৃত্যুর হার একটু বেশি। এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও গবেষণা হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা সবকিছু খতিয়ে দেখে মনে করছেন L-Type ভাইরাসের জন্য বেশি হচ্ছে। উল্লেখ্য করোনাভাইরাস এর উৎস স্থল উহান শহরে ছড়িয়ে ছিল বেশি।

আর গুজরাতের ক্ষেত্রেও নাকি সেই ভাইরাসের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গুজরাতের বায়োটেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষক জানিয়েছেন, যেখানে এই L-Type ভাইরাসের উপস্থিতি বেশি থাকে সেখানে মৃত্যুর হার বেশি হয়, ঠিক যেমনটা হয়েছিল উহান শহরে। তিনি জানিয়েছেন জিনোম সিকোয়েন্স এর জন্য করোনা আক্রান্তদের থেকে যে ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তাতে এল টাইপের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে।

এক চিকিৎসক অতুল পটেল জানিয়েছেন, L-Type ভাইরাসের উপস্থিতি বেশি এই রাজ্যে। আর S-Type এর থেকে L-Type এর ভয়াবহতা অনেক বেশি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ