আমদাবাদ: সবরমতি নদীর তীরের এই শহরকে দেশের ‘স্পোর্টস সিটি’ হিসেবে দেখতে চান অমিত শাহ৷ বুধবার মোতেরায় ভারত-ইংল্যান্ড পিঙ্ক বল টেস্টে উপস্থিত থেকে এমনটাই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷

ইতিমধ্যেই ক্রিকেটবিশ্বের দৃষ্টি কেড়েছে আমদাবাদ৷ নবরূপে মোতেরা স্টেডিয়াম ধরা দিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে৷ বুধবরা ভারত-ইংল্যান্ড পিঙ্ক বল টেস্টের প্রাককালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দর্শকাসন বিশিষ্ট স্টেডিয়ামের ‘ভুমিপুজো’ অনুষ্ঠান উপস্থিতি ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট৷ দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাত ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করে মোতেরা স্টেডিয়ামের৷

মোতেরায় নরেন্দ্র মোদি নামাঙ্কিত বিশ্বের সবেচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ছাড়াও রয়েছে সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল স্পোর্টস এনক্লেভ৷ পাশাপাশি নরনপুরায় তৈরি হবে নতুন স্পোর্টস কমপ্লেক্স৷ ১৭ একর জমিতে স্পোর্টস কমপ্লেক্স তৈরিতে খরচ হবে প্রায় ৪৫৮ কোটি টাকা৷ এদিন অমিত শাহ বলেন, ‘মোতেরায় সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল স্পোর্টস এনক্লেভ এবং নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম রয়েছে৷ এবার নরানপুরায় তৈরি হবে স্পোর্টস কমপ্লেক্স৷ এই তিনটি স্টেডিয়ামে যে কোনও আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ইভেন্ট আয়োজিত হবে৷ তখন আমদাবাদকে ভারতের স্পোর্টস সিটি হিসেবে জানা যাবে৷

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটবিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে মোতেরা স্টেডিয়াম৷ তবে সর্দার প্যাটেল স্টেডিয়াম নয়। বুধবার থেকে আমদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়াম নাম বদলে হয় নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম। ভারত-ইংল্যান্ড পিঙ্ক বল টেস্ট শুরুর আগে বুধবার বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম নতুন নামে নামাঙ্কিত প্রধান মন্ত্রী তথা প্রাক্তন গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোদীর নামে।

দর্শকাসনের বিচারে ইতিপূর্বে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়াম মেলবোর্নকে (৯০ হাজার) পিছনে ফেলেছে মোতেরা। তবে বুধবার থেকে শুরু হতে চলা ভারত-ইংল্যান্ড তৃতীয় তথা পিঙ্ক বল টেস্টে অর্ধেক সংখ্যক অর্থাৎ ৫৫ হাজার দর্শককে কোভিড-১৯ কারণে মাঠে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়৷ বিশ্বের প্রথম ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে মোতেরায় থাকছে ১১টি পিচ। ডিম্বাকৃতি স্টেডিয়ামে তৈরি মোতেরায় যে পিচেই খেলা হোক না কেন বাউন্ডারির কোনও হেরফের ঘটবে না।

স্টেডিয়াম তৈরিতে ৮০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে৷ ৬৩ একর জায়গায় ১ লক্ষ ১০ হাজার দর্শকাসন বিশিষ্ট এই স্টেডিয়াম রয়েছে অত্যাধুনিক এলইডি বাতিস্তম্ভ, চারটি আধুনিক ঝাঁ-চকচকে ড্রেসিংরুম এবং ৭৬ টি কর্পোরেট বক্স। এছাড়াও সুসজ্জিত গ্যালারি এবং অত্যাধুনিক প্রেসবক্স। স্টেডিয়াম লাগোয়া একাধিক নেট করার জায়গা।রেস্তোয়াঁ, অলিম্পিক সাইজের সুইমিং পুল, জিমন্যাসিয়াম এবং পার্টি এরিয়া৷ অত্যাধুনিক এলইডি লাইট বসানো স্টেডিয়ামে থাকছে অত্যাধুনিক পার্কিং লট৷ যেখানে রাখা যাবে ৩ হাজার চার চাকার গাড়ি এবং ১০ হাজার দু’চাকার গাড়ি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.