আমদাবাদ: ২০১৯ নভেম্বরে প্রথমবার ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পিঙ্ক বল টেস্ট। মাত্র আড়াই দিনেই সে ম্যাচে প্রতিবেশী বাংলাদেশকে নাস্তানাবুদ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু মোতেরায় দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া দ্বিতীয় পিঙ্ক বল টেস্টে ভারতের কাছে ইংল্যান্ড আত্মসমর্পণ করল আরও কম সময়ে। আর সেইসঙ্গে ইতিহাসে নাম তুলে নিল নবনির্মিত মোতেরায় অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম টেস্ট।

পরিসংখ্যান বলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময় সবচেয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্যের টেস্ট ম্যাচ এটি। মোতেরায় ভারত-ইংল্যান্ড তৃতীয় টেস্ট দীর্ঘায়িত হল মাত্র ১৪০.২ ওভার অর্থাৎ ৮৪২ বল। এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময় সবচেয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্যের টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৬ ওয়েলিংটনে। ওই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। তবে সামগ্রিকভাবে মোতেরায় ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচ ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের। ১৯৩৫ ইংল্যান্ড বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ শেষ হয়েছিল মাত্র ১১২ ওভারে।

মজার বিষয় হল ২০১৮ বেঙ্গালুরুতে আফগানিস্তানকে ২ দিনের মধ্যেই হারিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ওই ম্যাচে ১০২৮ বল খেলা হয়েছিল, যা মোতেরা টেস্টের তুলনায় ১৮৬ বল বেশি। আর ২০১৯ প্রথম পিঙ্ক বল টেস্টে খেলা হয়েছিল ৯৬৮ বল। সবমিলিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে আত্মপ্রকাশের শুরুতেই ইতিহাসে মোতেরা।

উল্লেখ্য, ৯৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয়দিন খেলা শুরু করেছিল ভারত। কিন্তু ঘূর্ণি পিচে ইংরেজ অধিনায়ক জো রুটের স্পিনে বিপক্ষ দলের মতই অবস্থা হয় ভারতের। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪৫ রানে গুটিয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। ৬.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র আট রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন রুট। মনা করা হচ্ছিল একটা উত্তেজক ম্যাচের সাক্ষী থাকতে চলেছে মোতেরা। কিন্তু ৩৩ রানে পিছিয়ে থেকে অক্ষর-অশ্বিন জুটির কাছে দ্বিতীয় ইনিংসে আরও শোচনীয় অবস্থা হয় ইংল্যান্ডের। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৮১ রানে অল-আউট হয়ে যায় ব্রিটিশরা।

জবাবে কোনও উইকেট না খুইয়ে প্রয়োজনীয় ৪৯ রান তুলে জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করেন বাঁ-হাতি স্পিনার অক্ষর প্যাটেল। ৪ উইকেট নেন অশ্বিন। ১৯১২ পর প্রথমবার ২দিনের মধ্যে কোনও টেস্ট ম্যাচ হারল ইংল্যান্ড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।