নয়াদিল্লি: নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিপক্ষে আইএসএলের প্রথম ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখা আহমেদ জাহৌকে সতর্ক করল এআইএফএফ শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। গত শনিবার সপ্তম আইএসএলের প্রথম ম্যাচে প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে বিপক্ষের খাসা কামারাকে বিপজ্জনক ট্যাকল করে লাল কার্ড দেখেন আহমেদ জাহৌ। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার পুরনো ক্লাব এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই মাঠে নামতে পারবেন না মরক্কোন মিডফিল্ডার। একইসঙ্গে তাঁর লাল কার্ড দেখা ট্যাকল ছিল অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির আতস কাঁচের তলায়।

উল্লেখ্য, এফসি গোয়া থেকে চলতি মরশুমে মুম্বই সিটি এফসি’তে যোগদান করেছেন মরক্কোন এই মিডফিল্ডার। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই বুটের স্টাড দেখিয়ে ফাউল করে মাঠের বাইরে যেতে হয়েছে তাঁকে। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামীতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে জাহৌর জন্য।

এআইএফএফের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘এআইএফএফের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি মনে করে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের খাসা কামারাকে করা আহমেদ জাহৌর সেদিনের প্রথমার্ধের ট্যাকলটা গুরুতর অপরাধ। মাঠের মধ্যে প্রতিপক্ষের নিরাপত্তার বিষয়টি লঙ্ঘিত হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখার পর এমনটাই মনে করা হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, শনিবার প্রথমার্ধের শেষদিকে লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যাওয়ার আগে শনিবার জাহৌকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হচ্ছিল মুম্বইয়ের সিংহভাগ আক্রমণ। কিন্তু মুম্বই দশজনে হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ম্যাচে ফেরে নর্থ-ইস্ট। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে হাইল্যান্ডাররা।

দু’মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি আদায় করে নেয় তারা। লুইস মাচাদোর বিষাক্ত ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে ডিলান ফক্সের হেড রাউলিন বোর্জসের হাতে লাগলে পেনাল্টি পায় নর্থ-ইস্ট। স্পটকিক থেকে নিশানায় অব্যর্থ থেকে দলকে এগিয়ে দেন আপ্পিয়া। তারকাখোচিত মুম্বই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় এরপর। মুম্বই এফসি’র মাঝমাঠে জাহৌ’র অভাব ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। অন্যদিকে এক গোলে আগুয়ান নর্থ-ইস্টের রক্ষণে দারুণভাবে দায়িত্ব সামলান বেঞ্জামিন ল্যাম্বোট এবং ডিলান ফক্স। কিন্তু বিক্ষিপ্ত কয়েকটি আক্রমণ শানালেও দশজনের মুম্বই গোল তুলে ম্যাচে আর ফেরত আসতে পারেনি। আপ্পিয়ার পেনাল্টি গোলই শেষমেষ নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়ায় ম্যাচে। সবমিলিয়ে হেভিওয়েট মুম্বইকে প্রথম ম্যাচে হারিয়ে দারুণভাবে যাত্রা শুরু করে নর্থ-ইস্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I