রাঁচি : তিনি বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তিনি শ্বেত বসনা। দেবী সরস্বতীর সঙ্গে অসুর নিধনের বা প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার কোনও ছবি কখনও দেখা যায়নি। কিন্তু করোনা আবহ দেবী সরস্বতীকেও অসুর নিধনে নামতে বাধ্য করল। ঝাড়খন্ডের রাঁচিতে যে মূর্তি দেবী সরস্বতীর তৈরি হয়েছে, তা বেশ অভিনব।

সরস্বতী পুজোর আগে দেবী সরস্বতীর মূর্তি দেখা গেল করোনা ভ্যাকসিন হাতে। বীণার বদলে করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে দেবী মূর্তি বেশ অন্যরকম ছবি তুলে ধরেছে। করোনার সঙ্গে লড়ছে গোটা দেশ। মা দুর্গার মূর্তির নীচে করোনা রূপী অসুরকে দেখা গিয়েছিল। তবে সরস্বতীর মূর্তির কাছে করোনা ভ্যাকসিন নতুন বার্তা তুলে ধরেছে।

প্রতিমা শিল্পী অজয় কুমার পাল বলছেন করোনা ভ্যাকসিন গোটা দেশকে স্বস্তি দিয়েছে। এই সম্পর্কে তথ্য যত মানুষ জানবেন, তত ভালো। সরস্বতী বিদ্যার দেবী, জ্ঞানের দেবী। তাই করোনা ভ্যাকসিন সম্পর্কে তথ্য দেবেন তিনি। মা সরস্বতীর হাতে তাই করোনা ভ্যাকসিন।

তিনি বলেন প্রতি বছরই মূর্তি গড়ার সময় নতুন নতুন থিম উদ্ভাবন করার চেষ্টা করেন প্রতিমা শিল্পীরা। এবার থিম করোনা ভ্যাকসিন। কারণ গোটা দেশ লড়ছে করোনার সাথে। মা সরস্বতীও সেই যুদ্ধে সামিল। রাকেশ চৌরাসিয়া নামে এক প্রতিমা শিল্পী জানান সরস্বতী জ্ঞান, সঙ্গীত, শিল্প ও শিক্ষার প্রতীক। করোনা ভ্যাকসিনের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে জ্ঞান ও তথ্যের সূত্র। দেবী সরস্বতী সেই জ্ঞানই বিতরণ করছেন।

এদিকে, নিউ নর্মাল দুনিয়ায় এখন সব কিছু স্বাভাবিক। খুলে গিয়েছে অফিস-আদালত। করোনাবিধি মেনে রাজ্যে-রাজ্যে খুলে যাচ্ছে স্কুলও। এই পরিস্থিতিতে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের করোনার দৈনিক সংক্রমণও স্বস্তি দিচ্ছিল। একদিনে করোনার টিকাকরণ অভিযান শুরু হয়েছে দেশজুড়ে।

গত ১৬ জানুয়ারি থেকে গোটা দেশে করোনার টিকাকরণ অভিযান চলছে। তবে প্রথম পর্বের দেশের ৩ কোটি ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারকে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে প্রত্যেককে টিকাকরণের আওতায় আনবে কেন্দ্র। মার্চ মাস থেকে পঞ্চাশোর্ধদের টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৮ লক্ষ ৮০ হাজার ৬০৩ জন। দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪৪৭। ইতিমধ্যেই ভারতে করোনার দুটি ভ্যাকসিনের প্রয়োগ পুরোদমে শুরু হয়েছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার কোভিশিল্ড ভারতে তৈরি করছে পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।