আগ্রাঃ বিজেপি নেতার ফার্ম হাউসে চলা বড়সড় মধুচক্রের পর্দা ফাঁস করল আগ্রা পুলিশ। জানা গিয়েছে, কেবল মধুচক্রই নয় ওই ফার্ম হাউসে চলত নারী পাচারের মত ঘৃণ্য কাজ। আর তা দিনের পর দিন চলত বলে অভিযোগ। তবে এই সবের সঙ্গে বিজেপি নেতার নাম জড়ানোতে ফের প্রশ্নের মুখে উত্তর প্রদেশের বিজেপি নেতৃত্ব।

বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। যদিও অভিযুক্ত বিজেপি নেতা এই সব কিছু অস্বীকার করেছেন। পালটা ওই বিজেপি নেতার দাবি, ইচ্ছাকৃত ভাবে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ওই বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, তিনি তাঁর ফার্ম হাউস ভাড়াতে দিয়েছিলেন। এবার সেখানে কি ঘটেছে তা তিনি জানেন না।

আগ্রা শীর্ষ আধিকারিক বাব্লু কুমার জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে একটি খবর আসে পুলিশের কাছে। যেখানে মধুচক্র চলছে বলে খবর আসে। এরপরেই ওই ফার্ম হাউসে রীতিমত তল্লাশি চালানো হয় বলে দাবি ওই পুলিশ আধিকারিকের। সেখানেই ফাঁস হয় মধুচক্রের কাণ্ড কারখানা। জানা গিয়েছে, ওই ফার্ম হাউসে মেয়েদের এনে রাখা হত। সেখান থেকে তাদের বিভিন্ন হোটেলে পাঠানো হত।

পাশপাশি ওই ঘটনার সঙ্গে বেশ কিছু উচ্চ পদস্থ নাম যুক্ত থাকার আভাস ইতিমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ কড়া হয়েছে। তাঁর মধ্যে তিনজন মহিলাও রয়েছেন। ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আর শুরু হয়েছে বিস্তারিত তদন্তও। অভিযুক্ত ওই বিজেপি নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে খবর।

অন্যদিকে, সাংবাদিকদের সামনে ওই বিজেপি নেতা জানিয়েছেন তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এই ঘটনা সম্পর্কে তিনি জানেন না। তিনি তাঁর ফার্ম হাউস সচিন, বিশ্নু, এবং বিশাল গয়েলকে ভাড়া দিয়েছিলেন। তিনি এই ঘটনা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন।

তবে প্রাথমিক ভাবে পুলিশ আধিকারকদের তরফে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই বিজেপি নেতা জানতেন কি হচ্ছে ওই ফার্ম হাউসে। ইতিমধ্যে বিজয় এবং রনবীর নামের দুই ব্যক্তিকে সচিন , বিশ্নু, এবং বিশাল গয়েলের সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তবে ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে পুলিশের তরফে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে সম্পূর্ণ তদন্ত। তবে এই ঘটনায় বিজেপি নেতার নাম জড়াতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।