নয়াদিল্লি: টেলিকম সংস্থাকে বাঁচাতে সরকারি কোনও রকম সাহায্যের বিরোধিতা করল রিলায়েন্স জিও৷ কেন করদাতাদের দেওয়া অর্থ এ ভাবে দেওয়া হবে সেই প্রশ্ন তুলে বৃহস্পতিবার টেলিকম মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদকে চিঠি দিয়েছে রিলায়েন্স জিও৷ কারণ দায় মেটানোর জন্য এই টেলিকম সংস্থাগুলি পর্যাপ্ত তহবিল রয়েছে বলে যুক্তি দেখানো হয়েছে চিঠিতে৷

এদিকে কয়েক দিন আগে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ডটের হিসেব মেনে লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম ফি বাবদ এই টেলিকম সংস্থাগুলিকে মোট বকেয়া ৯২ হাজার কোটি টাকা মেটাতে হবে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের কাছে সাহায্য চেয়েছে এই সব সংস্থাগুলি সংস্থাগুলি। যেমন সোমবার টেলিকম মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও টেলি সচিব অংশু প্রকাশের সঙ্গে দেখা করেছিলেন এয়ারটেল কর্ণধার সুনীল মিত্তল।

তারপরে মঙ্গলবার দেখা যায় চরম আর্থিক সংকটে পড়া টেলিকম শিল্পের দায়ভার কমাতে ক্যাবিনেট সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গড়ল কেন্দ্র ৷ওই কমিটিতে থাকছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের সচিবরাও । সূত্রের খবর, স্পেকট্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে চার্জ হ্রাস, বকেয়া মেটানোর সময় সীমা পিছোনো, বকেয়ার উপর জরিমানা মকুব ইত্যাদি নানা দাবি খতিয়ে দেখা হবে।

তাছাড়া দেশের টেলিকম অপারেটরদের সংগঠন সেলুলার অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (সিওএআই) সরকারকে চিঠি দিয়ে জানায়, কেন্দ্র যদি কোনও সাহায্য না করে, তাহলে ভারতী এয়ারটেল ও ভোডাফোন আইডিয়া ‘নজিরবিহীন সঙ্কটে’ পড়বে। তারই প্রেক্ষিতে বুধবার সিওএআই-কে তীব্র আক্রমণ করে রিলায়েন্স জিও ৷ কারণ জিও মনে করছে, সিওএআই-এর দেওয়া চিঠিতে রয়েছে ‘হুঁশিয়ারি ও ব্ল্যাকমেলিং’-এর সুর ৷ তারপরে এবার টেলিকম সংস্থাকে কোনও রকম সহায়তা না করতে বলে রিলায়েন্স জিও কেন্দ্রকে চিঠি দিল৷