স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সদ্য রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী হয়েছেন তিনি। দায়িত্ব পেয়েই দলীয় নেতৃত্বের স্টাইলে ‘হাই ভোল্টেজ’ মন্তব্য করা শুরু করলেন অগ্নিমিত্রা পল। বৃহস্পতিবার হাওড়ার বাগনানে গিয়ে দলের মহিলাদের একপ্রকার আইনশৃঙ্খলা হাতে তুলে নেওয়ার কথা বললেন তিনি।

এদিন বাগনানের গোপালপুরের বাড়িতে ওই কলেজ ছাত্রীর মায়ের মৃতদেহ নিয়ে আসা হয়। সেইসময় এলাকায় আসেন বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তোপ দাগেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, “মহিলারা নিজেদের আত্মরক্ষার্থে এবার থেকে হাতে বটি, কাটারি এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থাকুন। দুষ্কৃতীরা যদি আপনাদের উপর আক্রমণ চালায়, আপনারাও পাল্টা আক্রমণ চালান।”

বাগনান থানায় গিয়ে অগ্নিমিত্রা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আর কী বলার আছে! ২০২১-এ সরকারে আসছি। হাতে আর মাত্র ৯ মাস। তারপর আপনাদেরও উচিত শিক্ষা দেব আমরা। তখন কে বাঁচায় দেখব! তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী যদি গর্তের ভিতর ঢুকে থাকে, তাদেরকে বের করে এনে উচিত শিক্ষা দেব‌।”

মেয়ের শ্লীলতাহানি রুখতে গিয়ে বুধবার মৃত্যু হয়েছে এক কলেজ ছাত্রীর মায়ের। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতা। এই অভিযোগকে ঘিরেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ জনতা। গ্রেফতারের দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির দুই সংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও সৌমিত্র খাঁ।

পরে অভিযুক্ত কুশ বেরাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃতদের উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালাতে তোলা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ৪৪৮ (মারপিট), ৩৭৬ (ধর্ষণ), ৫১১ (ধর্ষণের চেষ্টা), ৩০২ (খুন) এবং ৩৪ (সংঘটিত অপরাধ) ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কুশ বেরা। মূল অভিযুক্ত কুশ বেরা ও সঙ্গী শোভন মণ্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। অন্যদিকে, ধৃতদের জেল হেফাজত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার আইনজীবী। কেন পুলিস হেফাজত চাওয়া হল না, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও