আগরতলা: সাধারণতন্ত্র দিবসের কৃষক বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অশান্ত। আর উত্তর পূর্ব ভারতের ত্রিপুরায় বিজেপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করার অভিযোগে উত্তপ্ত।

বুধবার ভোরে আগরতলায় ১০৩২৩ শিক্ষক শ্ক্ষিকার আন্দোলন মঞ্চ ভেঙে দেয় সরকার। সেই প্রতিবাদে আগরতলা প্রবল উত্তপ্ত। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষক শিক্ষিকাদের খণ্ডযুদ্ধ চলছে।

অভিযোগ, বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার নির্বাচনের আগে বাড়ি বাড়ি চাকরির প্রস্তাব দেয়। সেই দাবি মানা হয়নি। গত ৫১ দিন ধরে ধর্না আন্দোলন চলছে আগরতলায়। আচমকা সাধারণতন্ত্র দিবসের পর দিন বুধবার ভোরে পুলিশ এসে আন্দোলনের মঞ্চ ভেঙে দেয়।

এর পর বেলা গড়াতেই প্রবল বিক্ষোভে অশান্ত আগরতলা। চলছে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ। একাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা জখম হয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই আন্দোলনে অংশ নিয়ে ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেউ কেউ আত্মঘাতী হয়েছেন। এক শিক্ষক আত্মঘাতী হওয়ার পর অভাবের জ্বালায় তাঁর স্ত্রী সহমরণ করতে গিয়েছিলেন। হৃদয় বিদারক এই ঘটনার জেরে গোটা দেশ নড়ে গিয়েছে আগেই। তারপরেই এক শিক্ষিকা নিজে বিষ খেয়ে সন্তানদের বিষ খাওয়ান। লাগাতার শিক্ষক শিক্ষিকার মৃত্যু মিছিল চলছে ত্রিপুরায়।

সোমবার এক শিক্ষকের মৃত্যুর জেরে শিক্ষা দফতর ঘেরাও অভিযান হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন শিক্ষা দফতরে ঢুকে পড়েন। তাদের কোনওরকমে সামাল দেন রক্ষীরা। অভিযোগ, রাজ্যের বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার কর্মসংস্থানের প্রশ্নে নীরব।

রাজ্যে বিগত বাম সরকারের আমলে চাকরি পেরেছিলেন এই ১০৩২৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকা। তবে আদালত বলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি আছে। বাম সরকার জানায় বিকল্প কর্মসংস্থান করা হচ্ছে। তবে সরকার পরিবর্তন হয়। বিজেপি আইপিএফটি জোট ক্ষমতায় আসে বাড়ি বাড়ি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কিন্তু এই ১০৩২৩ শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি বা বিকল্প কর্মসংস্থান করা হয়নি। বিকল্প রোজগারের দাবিতে গত বছর থেকে ধর্না আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা।

এদিকে, আগরতলার রাস্তায় শিক্ষিকার উপর হামলা ঘিরে উত্তেজনা বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ঘেরাও শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশের লাঠিচার্জ। রাস্তায় প্রবল বিক্ষোভ। আগরতলায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারী শিক্ষক শিক্ষিকাদের খণ্ডযুদ্ধ। এই ঘটনায় অনেকে জখম হয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ এবং মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে ‘ধিক্কার’ স্লোগান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।