স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: JNU ইস্যুতে থেমে থাকল না তাঁর কলম। এর আগেও নানা অন্যায়ের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল তাঁর প্রতিবাদী কলম। কবিতাই হয়ে ওঠে তাঁর প্রতিবাদের ভাষা। এবার তিনি কলম ধরলেন অসমের বিপন্ন মানুষদের জন্য। সোমবার নিজের ফেসবুক দেওয়ালে কবি মন্দাক্রান্তা সেন লেখেন ‘রক্তমাতৃক’ নামের একটি কবিতা।

কবিতাটিতে উঠে এসেছে বিপন্ন সময়ের ছবি। ওই কবিতায় মন্দাক্রান্তা লেখেন, “মাথা থেকে ঝরে পড়ছে আমার দেশের নদী যত/ এ আঘাত সংগ্রামসম্মত/ আমাকেও সঙ্গে নাও যুদ্ধক্ষেত্রে অভিযাত্রিক/ দেশ আজ রক্তমাতৃক/ রক্তের তীর ধরে বেঁচে থাকো আমার সভ্যতা/ এ তোমার ইতিহাস, হলে হোক ভবিতব্য তা/ মোহনা অপেক্ষা করছে জনসমুদ্রতে/ অপ্রতিরোধ্য সেই স্রোতে/ ভেসে যাচ্ছে এই দেশ, দেবে না সাঁতার?/ ভবিষ্যৎই লিখে নেবে ইতিহাস তার…” কবিতাটির মানের নীচে মন্দাক্রান্তা লেখেন, ‘প্রসঙ্গ: JNU-তে ABVP-র নৃশংস হামলা’র প্রতিবাদে।

রবিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন দুষ্কৃতি JNU ক্যাম্পাসে ঢুকে হামলা চালায়। ওই সময় মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল সভানেত্রী ঐশী ঘোষের। গুরুতর জখম হন হন অধ্যাপক সুচরিতা সেন। অভিযোগের তীর ABVP-র দিকে। ঘটনার কড়া সমালোচনা করেন সারা দেশের সংবেদনশীল মানুষ। প্রতিবাদের আঁচ বাংলাতেও। মিছিল করে প্রতিবাদ জানান যাদবপুরের পড়ুয়ারা।

ঘটনার জেরে কলম ধরলেন কবি মন্দাক্রান্তা সেন। বাংলার একাধিক বুদ্ধিজীবী এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন। বাংলার মেয়ে ঐশীর পাশে দাঁড়িয়েছেন বহু মানুষ। ঘটনার তদন্তের দাবি করা হয়েছে। মাথা ফেটে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়ে ঐশী ঘোষের। চিকিৎসার পরে ছেড়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ঐশীকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ