স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বরাবর তিনি প্রতিবাদী। অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাতে তুলে নেন কলম। তাঁর প্রতিবাদের ভাষা কবিতা। পশ্চিমবঙ্গের শাসকের নিন্দা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরোধিতা করা কবি মন্দাক্রান্তা সেনের স্বভাব সিদ্ধ। কবিতার জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার। এবার জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার পড়ুয়াদের উপর কঠোর ব্যবস্থার প্রেক্ষিতে হাতে কলম তুলে নিলেন মন্দাক্রান্তা।

অনুমতি ছাড়া দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পুলিশি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হলেন মন্দাক্রান্তা। কিছুদিন আগেই জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা অনুমতিতে ঢুকে ছাত্রদের উপরে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতায় একটি মিছিল বের করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। প্ল্যাকার্ড, ব্যানার নিয়ে পড়ুয়ারা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে লর্ডসের মোড় পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করে।

ঘটনার জেরে কবি মন্দাক্রান্তা সেন লেখন কবিতা। বৃহস্পতি বার নিজের ফেসবুক দেওয়ালে মন্দাক্রান্তা পোস্ট করেন ‘জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া’ নামের একটি কবিতা।

ওই কবিতায় তিনি লিখেছেন: “আমরাও পথে আয় নামি আয়/ জামিয়া মিলিয়া/ ইসলামিয়ায়/ ছাত্ররা মার খাচ্ছে কত/ শাসকের খাঁড়া সমুদ্যত/ গুঁড়িয়ে দেওয়া হাত আর পা’য়/ ছাত্ররা আজ অনন্যোপায়/ আর কিছু নেই লড়াই ছাড়া/ ছাত্রদলকে রুখবে কারা/ লড়ছে ওরা আমার হয়ে/ রক্তগঙ্গা যাচ্ছে বয়ে/ তোমার আমার সেই শোণিতই/ দেশবাসী, সেই খবর নিতি?/ দ্যাখ শাসকের গুন্ডামি হায়/ জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ায়/ শাসক যতই রক্ত খাবে/ ছাত্ররা আজ পথ/ দ্যাখাবে…/ হ্যাঁ, ছাত্ররাই পথ দ্যাখাবে”

কবিতাটি পড়লেই বোঝা যায় এই মুহূর্তে কবির মন কতটা ব্যথিত। ‘শাসকের গুন্ডামি’কে ধিক্কার জানালেন মন্দাক্রান্তা। এর আগেও নানা ঘটনার প্রতিবাদে হাতে কলম তুলে নিয়েছেন মন্দাক্রান্তা। এবার তিনি কবিতা লিখলেন জামিয়া মিলিয়ার পড়ুয়াদের পক্ষে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ