কলকাতা: হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের পর মৃতদেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত আসমুদ্রহিমাচল। আর এই শোকের আবহেই বাড়ছে ক্ষোভের আগুন। দিল্লি থেকে কলকাতা এই ঘটনায় নিন্দায় সরব গোটা দেশ।

প্রতিবাদে সামিল সবাই। কবি মন্দাক্রান্তা সেন ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। শনিবার নিজের ফেসবুক দেওয়ালে মন্দাক্রান্তা লেখেন একটি কবিতা। সেই কবিতায় তিনি লেখেন নিজের কলম ধর্ষিত হবারও কথা। মন্দাক্রান্তার প্রতিবাদী কলমে উঠে আসে ‘প্রিয়াঙ্কা’ নামের কবিতা: “প্রিয়াঙ্কা, তোমাকে নিয়ে লিখতে গেলে আমার কলম ধর্ষিত হয়।/ প্রিয়াঙ্কা, তোমাকে নিয়ে লিখতে গেলে আমার কলম পুড়ে যায়।/ প্রিয়াঙ্কা, তোমার জন্য মিটিং চাই না, মিছিল চাই না/ শুধু জানতে চাই,/ ফিনিক্স, বাড়ি আছ?”

বৃহস্পতিবার সকালে হয়দরাবাদের অনতিদূরে শাদনগরে তরুণী চিকিৎসকের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। এরপর থেকেই এই ধর্ষণ এবং হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে হায়দরাবাদ। একের পর এক মিছিলে দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি করা হয়। মিছিল থেকে বিক্ষোভকারীরা নির্যাতিতার আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি অভিযুক্তদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি তোলেন।

বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদের অনতিদূরে শাদনগরে তরুণী চিকিৎসকের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের অনুমান, ধর্ষণ করে ওই তরুণীকে খুন করা হয় প্রথমে। তার পর তাঁর দেহ পোড়ানো হয়। শনিবার এই ধর্ষণকাণ্ডে আরও এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে হায়দরাবাদ পুলিশ।

তদন্তকারীরা জানান পরিকল্পনা মাফিক ওই তরুণীকে শিকার বানানোর ছক কষা হয়। এই ছক কষা হয়েছিল ঘণ্টা তিনেক আগে। সেই মতো পশু-চিকিৎসক তরুণীর স্কুটারের চাকা ফুটো করে দেওয়া হয়েছিল, সারিয়ে দেওয়ার নাম করে সেই স্কুটার সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তার পরে একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে গিয়ে পর পর চার জন মিলে তাঁকে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে খুন করে পেট্রল-ডিজেল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয় দেহ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ